সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমুদ্রে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে ভারত (India)। হামলা চালাতে এলে গুঁড়িয়ে যাবে চিনা নৌবহর। কারণ, এবার সাগরে ভারতের সঙ্গী হতে চলেছেন খোদ ‘সমুদ্রের দেবতা’। শুনতে হেঁয়ালির মতো লাগলেও এটাই সত্যি। এবার আরও ৬টি সাবমেরিন বিধ্বংসী Poseidon-8I যুদ্ধবিমান কিনতে চলেছে নয়াদিল্লি। গ্রিক পুরাণের মতে এই পোসাইডেন হলেন সমুদ্র ও ঝড়ের দেবতা। সমুদ্রের ‘শিকারি’ হিসেবে পরিচিত এই বিমানগুলির জুড়ি মেলা ভার।
[আরও পড়ুন: লাদাখে চিনা আগ্রাসনের জবাব, বাণিজ্যিক পথে প্রত্যাঘাত ভারতের]
প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, শুক্রবার ৬টি Poseidon-8I যুদ্ধবিমানের জন্য আমেরিকাকে ‘letter of request’ পাঠানো হয়েছে। পেন্টাগনের বিদেশে অস্ত্র রপ্তানি প্রকল্পের আওতায় ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১৮০ কোটি ডলারের বিনিময়ে বিমানগুলি কিনতে চলেছে ভারত। সূত্রের খবর, চিনের সঙ্গে সংঘর্ষের আবহে দ্রুত বিমানগুলি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে ভারত। মার্কিন কংগ্রেস থেকে অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি মিললেই ‘letter of acceptence’ পাঠাবে আমেরিকা। তারপর আগামী বছরই নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এই মর্মে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। উল্লেখ্য, ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে বেশ কয়েক বছর থেকেই রয়েছে Poseidon-8I যুদ্ধবিমান। সমুদ্রে নজরদারি চালাতে এই বিমানগুলিকে ব্যবহার করে ভারতীয় নৌসেনা। সম্প্রতি, গালওয়ান উপত্যকায় লালফিউজের সঙ্গে রক্তাক্ত সংঘর্ষের পর থেকে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না ভারত। তাই শান্তি আলোচনা চললেও লড়াইয়ের জন্য সেনাবাহিনীকে তৈরি থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৯৬২ সালের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে তাই দ্রুত সেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করছে নয়াদিল্লি।
উল্লেখ্য, Poseidon-8I বিমানগুলি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য বিশেষভাবে তৈরি। উপকূল এলাকায় নজরদারি, শত্রুপক্ষের জাহাজ এবং সাবমেরিনের অবস্থান জানা এবং প্রয়োজনে আঘাত হানতে এই যুদ্ধবিমানগুলির জুড়ি মেলা ভার। বিমানগুলিতে রয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত করতে সক্ষম অত্যাধুনিক হারপুন ব্লক-২ ক্ষেপণাস্ত্র, হালকা ওজনের টর্পেডো ও ডেপথ চার্জ (সাবমেরিন ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়)। শক্তিশালী রেডিও সিগনালের মাধ্যমে যা কিনা শত্রুপক্ষের সাবমেরিন এবং জাহাজ, দুই-ই ধ্বংস করতে সক্ষম। বর্তমানে তামিলনাড়ুতে নৌসেনার বিমানঘাঁটি আইএনএস রাজালিতে রয়েছে একটি P-8I squadron। সম্প্রতি লাদাখে চিনের সঙ্গে সঙ্ঘাত চলাকালীন এই বিমানের মাধ্যমেই নজরদারি চালানো হয়। ২০১৭ সালে ডোকালামে দুই দেশের বাহিনী যখন মুখোমুখি অবস্থান করছিল, সেইসময়ও নামানো হয় এই বিমান।
[আরও পড়ুন: পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে লালফৌজ, শত্রুদের খুঁজে মারতে আসছে ‘ধ্রুবাস্ত্র’]
সর্বশেষ খবর
-
কারা পাবেন আবাসের বাড়ি? সুবিধাভোগী যাচাইয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, রয়েছে ‘সেলফ সার্ভে’র সুবিধাও
-
‘বাংলার পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে চাই’, বঙ্গে পদ্ম ফুটতেই রামচরণের নজরে টলিউড?
-
এবার ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, ফের জেল হেফাজতে প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার
-
‘ভারত-চিন সম্পর্কে নাক গলাবে না রুশ’, ত্রিকোণ বন্ধুত্বের সমীকরণে স্পষ্ট বার্তা পুতিনের
-
কাটমানি না দিলে বাড়ি নয়, বড়ঞায় গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী-সহ ৪