Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানের ত্রাস কারগিলের ‘হিরো’ মিরাজ, জেনে নিন বিমানটি সম্পর্কে   

প্রায় ৩০০ জঙ্গি নিকেশ মিরাজের হানায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯, ১৪:৩৪

options
link
পাকিস্তানের ত্রাস কারগিলের ‘হিরো’ মিরাজ, জেনে নিন বিমানটি সম্পর্কে    zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই জঙ্গি হানায় রক্তাক্ত হয়েছিল পুলওয়ামা। শহিদের রক্তে লাল হয়ে যায় কাশ্মীরের মাটি। তারপর থেকেই দেশজুড়ে উঠছে একটাই দাবি ‘বদলা চাই’। মঙ্গলবার ভোর রাতে পুলওমার বদলা নিল ভারত। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নির্দ্বিধায় ঢুকে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার ১২টি অত্যাধুনিক মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান। ভয়াবহ বোমাবর্ষণ করে তারা গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিগুলি। কিন্তু কেন এই বিমানটিই ব্যবহার করল ভারত? কী এর বিশেষত্ব? আসুন জানেন নিই:

প্রায় তিন দশক ধরে ভারতীয় বাযুসেনার অন্যতম যুদ্ধবিমান মিরাজ-২০০০। বিমানটি ফ্রান্সের বায়ুসেনার জন্য তৈরি করে দাসাল্ট নামের অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থা। তারপর দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে ভারতের হাতে আসে বিমানটি। এই সংস্থাটির কাছ থেকেই ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমানও কিনেছে ভারত। মূলত বোমারু বিমান হিসেবেই কাজ করে মিরাজ-২০০০। শত্রু দেশের রাডারকে ফাঁকি দিয়ে তাদের বায়ুসীমায় প্রবেশ করে বোমাবর্ষণে, এর জুড়ি মেলা ভার। এপর্যন্ত প্রায় ৬০০টি মিরাজ বিশ্বের ন’টি দেশের বায়ুসেনার হাতে রয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতের হাতে রয়েছে প্রায় ৪০টি মিরাজ যুদ্ধবিমান। সাতের দশকে তৈরি হলেও সদ্য আপগ্রেড করা হয়েছে যুদ্ধবিমানগুলিকে। ফলে আরও ঘাতক হয়ে উঠেছে মিরাজ। প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কিলোগ্রাম ওজনের অস্ত্রশস্ত্র ও বোমা নিয়ে উড়তে সক্ষম এই বিমানটি। শত্রুর জঙ্গিবিমানকে মাঝ আকাশে ধবংস করতে এতে রয়েছে ‘অটো ক্যানন’ বা কামান। পাশাপাশি রকেট থেকে শুরু করে লেজার গাইডেড বম্ব বহন করতে পারে বিমানটি। নিখুঁতভাবে আকাশে অনেক উঁচু থেকেই শত্রুর শিবিরে আছড়ে পরে লেজার রশ্মি নিয়ন্ত্রিত বোমাগুলি। প্রায় ১৫০ কিলোমিটারের রেডিয়াসে হামলা চালাতে সক্ষম মিরাজ। সব থেকে বড় কথা আণবিক বোমা বহনে সক্ষম এটি। এছাড়াও যেকোনও আবহাওয়ায় ও রাতে হামলা চালাতে পারে মিরাজ। সিঙ্গল ইঞ্জিন বিশিষ্ট বিমানটির ককপিটও সম্প্রতি অত্যাধুনিক করে তোলা হয়েছে। হেলমেটের কাচেই বোমবর্ষণ থেকে শুরু করে সমস্ত তথ্য পেয়ে যান পাইলট। এছাড়াও শুধুমাত্র মাথা ঘুরিয়েই মিসাইলগুলিকে অন্য জঙ্গিবিমানের দিকে ছুঁড়তে পারেন পাইলট। এতে রয়েছে ‘থেইলস রাডার’। এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অস্ত্রের নিশানায় চলে আসে শত্রু পক্ষের বিমান ও মিসাইল। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মার্কিন প্রদত্ত পাকিস্তানের এফ-১৬ জেটের মোকাবিলা করবে মিরাজ। কারগিল যুদ্ধে টলোলিং ও বাটালিক সেক্টরে পাকিস্তানের ত্রাস হয়ে উঠেছিল মিরাজ। যেভাবে জমিতে বোফর্স কামান ও সেনা পাকিস্তানকে শিক্ষা দিয়েছিল, একইভাবে আকাশে ভারতের হয়ে যুদ্ধ জয় করে মিরাজ। মঙ্গলবার ভোররাতে পুলওয়ামা হামলার  প্রতিশোধ নিয়ে বড়সড় প্রত্যাঘাত করেছে ভারতীয় সেনার। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সীমান্ত পেরিয়ে এয়ার স্ট্রাইক হামলা চালাল ভারতীয় বায়ুসেনার ১২টি অত্যাধুনিক মিরাজ-২০০০ যু্দ্ধবিমান। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর জইশ-ই-মহম্মদের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর সেনা সূত্রে। ঘুরিয়ে এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে পাকিস্তানও।     

 [পুলওয়ামার প্রতিশোধ, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ‘এয়ার স্ট্রাইক’ ভারতের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.