Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Indian Railways

পরিষেবা ঘিরে প্রশ্ন, অভিযোগ! এর মধ্যেই ভাড়া বাড়ছে রেলে

১ জুলাই থেকে বাড়তে চলেছে ভাড়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৫, ১১:৫৯

options
link
পরিষেবা ঘিরে প্রশ্ন, অভিযোগ! এর মধ্যেই ভাড়া বাড়ছে রেলে zoom
প্রতীকী চিত্র

স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: নতুন মাস থেকেই দূরপাল্লার ট্রেন যাতায়াতের জন্য বাড়তি অর্থ খসাতে হবে যাত্রীদের। এই খবর সামনে আসতেই দেশজুড়ে উঠছে নানা প্রশ্ন, শুরু হয়েছে বিতর্ক। যার নির্যাস, দিনের পর দিন খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে রেলের বিভিন্ন পরিষেবা। চাহিদা অনুযায়ী ট্রেনের জোগান নেই, বেশিরভাগ সময় টিকিট কাটতে গিয়ে দেখা যায় ঝুলছে ওয়েটিং লিস্ট। নেই যাত্রী সুরক্ষা। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে বেশ কিছু দুর্ঘটনা। বন্ধ প্রবীণদের ভর্তুকি। তবু কীভাবে ভাড়া বাড়াতে পারে রেল?

মঙ্গলবার রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা যায়, ১ জুলাই থেকে বাড়তে চলেছে ভাড়া। যদিও তা শহরতলি বা লোকাল ট্রেনের জন্য নয়। যাঁদের মান্থলি টিকিট আছে, তাঁদেরও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে না। বাড়তি টাকা দিতে হবে ন্যূনতম ৫০০ কিলোমিটার যাত্রা করা এসি, নন এসি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের। ৫০০ কিলোমিটারের বেশি সাধারণ দ্বিতীয় শ্রেণির টিকিটে কিলোমিটার প্রতি আধ পয়সা, মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনের নন এসি টিকিটে কিলোমিটার প্রতি এক পয়সা ও এসি কোচের যাত্রীদের কিলোমিটার প্রতি দু’টাকা করে ভাড়া বৃদ্ধি হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতি হাজার কিলোমিটার যাত্রার জন্য এই তিন শ্রেণির যাত্রীদের যথাক্রমে ৫ টাকা, ১০ টাকা ও ২০ টাকা করে অতিরিক্ত খরচ করতে হবে।

Advertisement

রেলের তরফে বলা হচ্ছে, বর্তমান বাজার খরচের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে যে পরিমাণ টাকা বাড়ানো হচ্ছে, তাতে সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যাই হবে না। তবে দেশে রোজ গড়ে ১৩ হাজারেরও বেশি মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলে। সেক্ষেত্রে এই ভাড়া বৃদ্ধির ফলে রেলের যে বেশ কিছু অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও ঝড় উঠেছে সোশাল মিডিয়ায়। অনেকেরই দাবি, রেলে নেই ন্যূনতম পরিষেবা।

ভারতীয় রেলের শৌচালয়ের করুণ অবস্থা কাউকে আর নতুন করে বলে দিতে হয় না। সঙ্গে জুড়েছে অন্যান্য বিষয়ও। বেশিরভাগ ট্রেনের কামরাই যাত্রার সময় পরিষ্কার করা হয় না। রয়েছে আরশোলা, ছারপোকার উৎপাত। আরও একটি বড় বিষয় হল যাত্রী সুরক্ষা। চুরি, ছিনতাই তো লেগেই আছে। রয়েছে দুর্ঘটনার বিষয়ও। তার উপর কোভিডের সময় সেই যে বন্ধ হল, আর চালু করা হয়নি প্রবীণদের টিকিটে ভর্তুকি। কেউ কেউ তো আবার রেলমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও করছেন। যুক্তি, তাঁর উপর তিনটি মন্ত্রকের চাপ রয়েছে। অথচ রেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দরকার একজন পূর্ণ সময়ের মন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.