Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নোট বদল নিয়ে রেলে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি ফাঁস

রেলের কাউন্টারই দুর্নীতির আঁতুড়ঘর! কী ভাবে কালো টাকা বদলে গিয়েছে সাদায়? জানতে পড়ুন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১০:১৩

options
link
নোট বদল নিয়ে রেলে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি ফাঁস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোট বদল নিয়ে ভারতীয় রেলে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি ফাঁস! এই ঘটনায় রেলের এক শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল বলে ঘোষণা করার পর রেলের আধিকারিকরা কোটি কোটি কালো টাকাকে রাতারাতি সাদা করে ফেলেছেন। মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস(সিএসটি) রেলওয়ে স্টেশনের এক মহিলা ক্যাশিয়ার যাবতীয় দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছে বলে দাবি একটি সর্বভারতীয় দৈনিকের। দায়ের হওয়া এফআইআর-এর কপিও প্রকাশ্যে এসেছে।

এফআইআর-এ সিএসটি রেলওয়ে স্টেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমার্শিয়াল ম্যানেজার কে এল ভয়ারের নাম থাকলেও সিবিআই কর্তারা মনে করছেন, দুর্নীতির শিকড় রয়েছে একেবারে তৃণমূল স্তরে। একা ভয়ারই ৯ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে ৮.২২ লক্ষ টাকা বদলে ফেলেছেন বলে অভিযোগ। ‘হুইসেল ব্লোয়ার’ ওই মহিলা ক্যাশিয়ারের অভিযোগ, সিএসটি ও কল্যাণ- দু’টি স্টেশনের কাউন্টার থেকে দেদার নোট বদল করেছেন ভয়ার। মাত্র একদিনে দু’টি স্টেশনের কাউন্টার থেকে ২ লক্ষ টাকার পুরনো নোট বদলে নতুন নোট নেন ভয়ার। ৯-১৭ নভেম্বরের মধ্যে ৮.২২ লক্ষ কালো টাকা বদলে নেন নতুন নোটে।

Advertisement

সিবিআই কর্তারা এও জানতে পেরেছেন, কল্যাণ, অম্বরনাথ, উলহাসনগরের মতো স্টেশনগুলিতে প্রতিদিন কত টাকার পুরনো নোট নেওয়া হচ্ছে তার কোনও হিসাবই রাখা হয়নি। বড় নোট বাতিলের পর রেলের কাউন্টারে পুরনো নোটে টিকিট কাটা যাচ্ছিল। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই কেন্দ্র এই ছাড় ঘোষণা করেছিল। দুর্নীতিগ্রস্ত রেল কর্তারা ওই সরকারি ছাড়ের অপব্যবহার করেছেন বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্ক থেকে যে নতুন ৫০০ ও ২০০০ টাকার নোট সংগ্রহ করে রেলের টিকিট কেটেছেন, সেই নতুন নোটের সঙ্গে পুরনো নোট বদলে ফেলেছেন একাংশের রেলকর্তারা। অর্থাৎ, যাত্রীরা নতুন নোটে টিকিট কাটলেও রেলের ঘরে জমা পড়েছে সেই পুরনো টাকাই। কারণ, কাউন্টার থেকে রেলের ভাঁড়ারে যাওয়ার পথেই নতুন নোট পকেটে পুরে ফেলেছেন দুর্নীতিগ্রস্ত রেলকর্তাদের একাংশ। ক্যাশ কাউন্টারে কত নতুন নোট জমা পড়েছে, তার কোনও হিসাবই নেই রেলের আধিকারিকদের কাছে, দেখে রীতিমতো তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন সিবিআই অফিসাররা। গত ৪০ দিনে শুধু রেলের অন্দরেই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.