Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

জেগে উঠল ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি, শুরু অগ্ন্যুৎপাত

নতুন করে শুরু হয়েছে লাভা ও ছাই উদগিরণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৮, ১৪:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৯, ২০১৮, ১৪:২৭

options
link
জেগে উঠল ভারতের একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি, শুরু অগ্ন্যুৎপাত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের জেগে উঠেছে ভারতের একমাত্র আগ্নেয়গিরি। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ব্যারন দ্বীপের আগ্নেয়গিরিটি থেকে নতুন করে লাভা ও ছাই উদগিরণ শুরু হয়েছে। ভূ-বিদদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পের সম্পর্ক রয়েছে। আগেও ভূকম্পনের প্রভাবে এই দ্বীপে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে।

[এবার মোবাইলেই তুলে ফেলুন নক্ষত্রদের ঝকঝকে ছবি]

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার ভূকম্পে বিধ্বস্ত সুলাওয়েসি। যার দূরত্ব এখান থেকে তেমন বেশি নয়। ফলে অগ্ন্যুৎপাতের পিছনে ওই ভূকম্পের প্রভাব খুঁজছেন বিজ্ঞানীরা। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (নর্থ ইস্ট) ডিরেক্টর তপন পাল জানিয়েছেন, এই ধরণের মাঝারি বা বড় মাপের ভূমিকম্পের ফলে এই ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটতে পারে। দুই ঘটনার মধ্যে যোগ থাকতেই পারে। অগ্ন্যুৎপাতের এবং ভূমিকম্পের উৎস এক হতেও পারে।

যদিও ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ রিপোর্ট এই তত্ত্ব সমর্থন করছে না। তাদের দাবি, ২৫ সেপ্টেম্বর প্রথম অগ্ন্যুৎপাতের ছবি ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। ছবিতে দেখা গিয়েছে, ব্যারন দ্বীপের উত্তরপ্রান্ত থেকে লাভা ও ছাই উদগিরণ হচ্ছে। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসির সর্বশেষ ভূকম্পনটি হয় ২৮ সেপ্টেম্বর। রিখটার স্কেলে যার তীব্রতা ছিল ৭.৫। ফলে ভূকম্পের প্রভাবেই লাভা উদগিরণ শুরু হয়েছে বলে মানছেন না সব বিশেষজ্ঞরা।

[সৌরমণ্ডলের বাইরে আস্ত একটা চাঁদ, নতুন দিগন্তের সন্ধান গবেষকদের]

হঠাৎ অগ্ন্যুৎপাতের কারণ কী? ভূতত্ববিদরা বলছেন, প্রত্যক্ষভাবে এর সঙ্গে ভূমিকম্পের যোগ না থাকলেও পরোক্ষভাবে দুই ঘটনার উৎস একই হতে পারে। এর পিছনে রয়েছে প্লেট টেকটনিক থিওরি। ভূগর্ভে ভারতীয় প্লেট আর বার্মা প্লেটের সংঘর্ষের ফলে লাভার উদগিরণ। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার প্লেটের সঙ্গে অস্ট্রেলিয় প্লেটের সংঘর্ষে দ্বীপরাষ্ট্রে ভূমিকম্প হচ্ছে। এর আগে ২০০৫, ২০১১ ও ২০১৬ সালেও ইন্দোনেশিয়ার ভূকম্পের জেরে ব্যারন দ্বীপে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.