৩০ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেরল উপকূলে বিষনজর ইসলামিক স্টেটের। ভারতকে রক্তাক্ত করতে এবার ‘সমুন্দরি জেহাদ’ ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটি। এমন বিস্ফোরক সতর্কবার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

[আরও পড়ুন: ৮ বছরেই জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে ছাপিয়ে যাবে ভারত, রিপোর্ট রাষ্ট্রসংঘের]

সিরিয়া ও ইরাকে নাস্তানাবুদ হয়ে এবার ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শিকড় পোঁতার চেষ্টা করছে ইসলামিক স্টেট। বিশেষ করে হিন্দুপ্রধান ভারত ও বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রীলঙ্কায় ফিদায়েঁ হামলা চালানোর চেষ্টা করছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি। সূত্রের খবর, আসন্ন বিপদের বার্তা দিয়ে কেরল পুলিশের কাছে তিনটি চিঠি পাঠিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। সেখানে বলা হয়েছে, “সিরিয়া ও ইরাকে জমি হারিয়ে ভারতের দিকে নজর দিয়েছে আইএস। বিশেষ করে কেরলে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে সংগঠনটি। বিদেশে না গিয়ে নিজের দেশেই আত্মঘাতী হামলা চালানোর নির্দেশিকা জারি করেছে বাগাদাদির দল। ফলে লোন উলফ হামলার আশঙ্কা বাড়ছে।”

ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কেরলের বন্দর শহর কোচির ব্যস্ত এলাকা বিশেষ করে শপিং মল, বাজার ও পার্কগুলিকে নিশানা করতে পারে জঙ্গিরা। দেশে আইএস-এর ‘সাইবার অ্যাটাক’ ক্রমশই বাড়ছে। এর থেকে গোয়েন্দাদের ধারণা যে শিগগিরই শ্রীলঙ্কার ‘ইস্টার সানডে’ ধারাবাহিক বিস্ফোরণের কায়দায় কেরলে নাশকতা চালানোর পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা।

উল্লেখ্য, দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বেড়েছে ইসলামিক স্টেটের উপস্থিতি৷ কয়েকদিন আগেই মার্কিন হানায় নিহত হয় ইসলামিক স্টেটের কেরল শাখার প্রধান রশিদ আবদুল্লাহ৷ আফগানিস্তানে আমেরিকার বোমারু বিমানের হামলায় ওই জঙ্গি ছাড়াও মৃত্যু হয়েছিল আরও পাঁচ ভারতীয় জেহাদির৷শীর্ষ গোয়েন্দা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেরল ছাড়াও তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও জম্মু-কাশ্মীরে ইসলামিক স্টেটের ছায়া পড়ছে। মোবাইল লোকেশনের ঝামেলা এড়াতে ‘টেলিগ্রাম’ নামের একটি মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে খবর আদানপ্রদান করছে জঙ্গিরা। এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের বক্তব্য, গত কয়েক বছরে শুধু কেরলেরই  ১০০ জন বাসিন্দা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে। এদিকে, সতর্কবার্তা পাওয়ার পর থেকেই কেরল উপকূলে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমুদ্রপথে জেহাদিদের প্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক উপকূলরক্ষী বাহিনী তথা নৌসেনাও। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশ এগারো মু্ম্বই হামলাও হয়েছিল এই সমুদ্রপথেই৷ তাই আইএস নিয়ে সতর্কবার্তার পর সেদিকেই আপাতত বাড়তি নজর গোয়েন্দাদের৷     

[আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথের উক্তি ‘চুরি’, নেটদুনিয়ায় ফের হাসির খোরাক ইমরান খান]

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং