BREAKING NEWS

১৪  আশ্বিন  ১৪২৯  বুধবার ৫ অক্টোবর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মসজিদ তৈরির জন্য বিকল্প জমি, অযোধ্যার রায়ে সন্তুষ্ট নন ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: November 9, 2019 12:48 pm|    Updated: November 9, 2019 12:48 pm

Islamic people are not satisfied with the SC verdict on Ayodhya,still they welcome it

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলা। ঐতিহাসিক সেই মামলার রায়দান অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা দিয়েছেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশ। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সম্মানার্থে স্বাগত জানালেও সন্তুষ্ট মোটেই নন ইসলাম সম্প্রদায়ের মানুষজন। রায় প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই সাংবাদিক সম্মেলন করে তা বুঝিয়ে দিল মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানির কিছু প্রশ্ন তা স্পষ্ট করে দিল।
প্রায় সত্তর বছর ধরে বিচারাধীন থাকা অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলা নিয়ে শনিবার রায় দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের রায় অনুযায়ী, অযোধ্যার বিতর্কিত জমি গিয়েছে রাম জন্মভূমি ন্যাসের হাতে। আর সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড অর্থাৎ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিকল্প জায়গা দেওয়া হবে ৫ একর জমি। তা বিতর্কিত ভূখণ্ডের বাইরে। এছাড়া রায়ের কপি পড়তে গিয়ে আর্কেওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট উল্লেখ করে বিচারপতিরা এও জানিয়েছেন যে ওই বিতর্কিত জমিতে যে স্থাপত্য ছিল, তা অমুসলিম এবং মন্দিরের কাঠামো ছিল বলেও স্পষ্ট। এই রায়ে যে ইসলামরা খুব একটা খুশি হতে পারছেন না, তেমন ইঙ্গিত ছিলই। জাফরইয়াব জিলানি সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন তুললেন।

[আরও পড়ুন: কেন ঐতিহাসিক অযোধ্যার রায়? জেনে নিন সুপ্রিম কোর্টের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ]

সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের তরফে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ফের আইনি প্রক্রিয়ার পথে হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান আইনজীবী। সেইসঙ্গে তিনি এও বলেছেন, ‘আমরা মনে করছি, এই রায় খুব একটা নিরপেক্ষ বিচার হয়নি। তবে দেশের শীর্ষ আদালতের রায়, তাই আমরা তা গ্রহণ করছি। সকলকে বলব, শান্তি বজায় রাখুন। কোনও তরফেই কোনওরকম অশান্তিতে উস্কানি দেওয়া কাম্য নয়।’ এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, এএসআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী যা বলা হচ্ছে অর্থাৎ অযোধ্যার বিতর্কিত স্থানের স্থাপত্য অমুসলিম, তার আগেও তো একটা সময় রয়েছে। সেসময় ওখানে কী ছিল, তা তো বিচার করা হয়নি। তাহলে একটা নির্দিষ্ট সময়কালের উপর ভূতাত্বিকরা গবেষণা করেই রিপোর্ট কেন? জিলানি আরও জানিয়েছেন যে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাঁরা আইনি আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। রিভিউ পিটিশন দাখিল করবেন কি না, তাও ভেবে দেখা হবে।

[আরও পড়ুন: সাফ রাম মন্দির তৈরির রাস্তা, বিতর্কিত জমির দখল পেল রাম জন্মভূমি ন্যাস]

এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, ষোড়শ শতকে মুঘল সম্রাট বাবর অযোধ্যার ওই জমিতে যে মসজিদ তৈরি করেছিলেন, তা ফাঁকা জমির উপর ছিল না। কিন্তু জিলানির অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে ওই জায়গায় হিন্দুদের পাশাপাশি যে মুসলিমরাও প্রার্থনা করতেন, সেই বিষয়টিকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে