Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Islamic State

বাংলায়ও সক্রিয় ISIS জঙ্গীরা, সংসদে জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

সোশ্যাল মিডিয়াতেও ফাঁদ পাতছে ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০, ২১:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০, ২১:৫৭

options
link
বাংলায়ও সক্রিয় ISIS জঙ্গীরা, সংসদে জানাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ-র (NIA) তদন্ত থেকে প্রমাণ মিলেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (Islamic State) বেশি মাত্রায় সক্রিয় রয়েছে দেশের দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। বুধবার রাজ্যসভায় একথা জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিজেপি সাংসদ ডক্টর বিনয় পি সহস্রবুদ্ধের লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Home ministry) প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি জানিয়ে দিলেন, ভারতের দক্ষিণ রাজ্যগুলিতেই বেশি সক্রিয় ইসলামিক স্টেট। পাশাপাশি আরও যে সব রাজ্যে তাদের সক্রিয়তার খোঁজ মিলেছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে ১৭টি মামলা দায়ের করেছে এনআইএ। তালিকায় রয়েছে তেলেঙ্গানা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক ও তামিলনাডুর নাম। সব মিলিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে ১২২ জন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ইরানকে রাশিয়া ও চিনের থেকে অস্ত্র কিনতে দেব না’, হুমকি মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিবের]

তবে দক্ষিণের রাজ্যগুলি ছাড়াও আরও কয়েকটি রাজ্যের ন‌াম করেছেন জি কিষান রেড্ডি, যেখানে সক্রিয় ইসলামিক স্টেট। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নামও। তিনি বলেন, ‘‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তথা এনআইএ-র তদন্তানুসারে জানা গিয়েছে, ইসলামিক স্টেট সক্রিয় রয়েছে কেরল, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, তামিলনাডু, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থা‌ন, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীরে।’’ এই সংগঠনগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বলেও জানান তিনি।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানে নিপীড়িত হিন্দু-শিখ-খ্রিস্টানরা, রাষ্ট্রসংঘে ইসলামাবাদকে তুলোধোনা ভারতের]

রেড্ডি আরও জানিয়েছেন, নাশকতামূলক কাজে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করছে ইসলামিক স্টেট (IS)। সেই কারণে তদন্তকারী সংস্থাগুলির তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে সেদিকে। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।কোথা থেকে এই গোষ্ঠীগুলি অর্থ সাহায্য পাচ্ছে এবং বিদেশি তহবিল থেকে নাশকতামূলক কাজ করার টাকা আসার ব্যাপারে সরকারের কাছে কোনও তথ্য আছে কিনা তা জানতে চাওয়া হলে বিশদে কোনও জবাব দেননি রেড্ডি। তবে তিনি জানিয়ে দেন, এব্যাপারে সরকারের কাছে খবর রয়েছে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কিছু এদিন তিনি জানাননি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.