১১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  রবিবার ২৬ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ দেশের রায় LIVE রাজ্যের ফলাফল LIVE বিধানসভা নির্বাচনের রায় মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের আগে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর৷ নিহত বিবেকানন্দ রেড্ডি সম্পর্কে অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাজশেখর রেড্ডির ভাই, জগনমোহন রেড্ডির কাকা৷ অন্ধ্রের অমরাবতীতে ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে তাঁর মৃতদেহ৷ তাঁর শোয়ার ঘর এবং শৌচালয় চাপ চাপ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল, এমন পরিস্থিতিতে উদ্ধার হয় বিবেকানন্দ রেড্ডির মৃতদেহ৷ মৃত্যু অস্বাভাবিক, এই মর্মে তাঁর ব্যক্তিগত সচিব মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় পুলিভেনদুলা থানায়৷

মৃত নেতার ব্যক্তিগত সচিব কৃষ্ণ রেড্ডি জানিয়েছেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন৷ শুক্রবার সকালে আমি ডাকতে এসে কোনও সাড়া না পেয়ে, তাঁর স্ত্রীকে ফোন করি৷ তিনি আমাকে জানান, স্যারকে বিরক্ত না করতে৷ এরপর রাঁধুনি এবং অন্যান্য কাজের লোকেরাও বাড়িতে পৌঁছান৷ তাঁরাও ডাকাডাকি করে সাড়া পাননি৷ আমার সন্দেহ হওয়ায় পাশের জানলা দিয়ে ঘুরে গিয়ে ঘরের ভিতর উঁকি মেরে দেখি, বাথরুমের কাছে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন৷’ এরপরই কৃষ্ণা রেড্ডি পুলিশে খবর দেন এবং অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেন৷  

আদর্শ আচরণ বিধির চালুর পরেও চেন্নাইয়ের কলেজে সভা, বিতর্কে রাহুল

যে অবস্থায় ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে, তাতে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে৷ তাই পরিবারের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে৷ বিবেকানন্দ রেড্ডির আরেক ভাইপো অবিনাশ রেড্ডির অভিযোগ, ‘মাথার দু জায়গা আঘাত আছে৷ একটা সামনে, একটা পিছনে৷ কাজেই একটা পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমেই বোঝা যাবে মৃত্যুর কারণ কী৷ এখানে কোনও চক্রান্ত হতেই পারে, যেহেতু সামনে নির্বাচন৷’ কাকার মৃত্যুর খবর পেয়ে তড়িঘড়ি হায়দরাবাদ থেকে পুলিভেনদুলায় ছুটে গিয়েছেন ওয়াইএসআর জগমোহন রেড্ডি এবং তাঁর মা বিজয়াম্মা৷ দিন দুই আগেই বিবেকানন্দ রেড্ডি ভাইপোর হায়দরাবাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন৷ সেখান থেকে ফিরে পুলিভেনদুলায় দলের হয়ে প্রচার শুরু করেন বলে পরিবার সূত্রে খবর৷

ভিভিপ্যাট নিয়ে কমিশনের জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট

বিবেকানন্দ রেড্ডির রাজনৈতিক কেরিয়ারও চমকপ্রদ৷ দাদা রাজশেখরের হাত ধরেই অন্ধ্রের রাজনীতিতে আগমন৷ বেশ কয়েকবার পুলিভেনদুলায থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন৷ কৃষিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন৷ ১৯৯৯ এবং ২০০৪এ সাংসদ পদে নির্বাচিত হন৷ ২০১১ সালে উপনির্বাচনে জগনের মা বিজয়াম্মার কাছে হেরে যান৷ সবসময়েই মাটির মানুষ হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন বিবেকানন্দ৷ তবে পরবর্তী সময়ে ভাইপো জগনের সঙ্গে রাজনৈতিক মতবিরোধ হয়৷ তারপর থেকেই কিছুটা দূরত্ব তৈরি হলেও, পারিবারিক সম্পর্কের ততটা অবনতি হয়নি৷ তবে এদিন তাঁর এমন রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে অনেক ধরনের সন্দেহ জাগছে দলীয় কর্মীদের৷ ওয়াইএসআর কংগ্রেসের তরফে বিবেকানন্দ রেড্ডিকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে৷ প্রাক্তন মন্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে সিট তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং