Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ঘেরাও

জামিয়া কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার দাবি, উপাচার্যকে ঘেরাও পড়ুয়াদের

' কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাসে ঢুকে ছিল পুলিশ।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২০, ১৬:০৯

options
link
জামিয়া কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার দাবি, উপাচার্যকে ঘেরাও পড়ুয়াদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডব চালানোয় দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে এফআইআর করার দাবিতে সরব হয়েছেন পড়ুয়ারা। এই দাবিতে উপাচার্যকে ঘেরাও করেন তাঁরা। চলে শ্লোগান। পরে অবশ্য বিক্ষুব্ধ পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য নাজমা আখতার। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ১৫ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢুকেছিল। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে FIR করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

CAA বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন জামিয়ার পড়ুয়ারা। এরপর ১৫ ডিসেম্বর আচমকাই ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ুয়াদের বেধড়ক মারধর করে দিল্লি পুলিশ। এমনকী লাইব্রেরিতে ঢুকে পড়ুয়াদের টেনে হিঁচড়ে বের করে এনে মারধর করা হয়। ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও। দিল্লি পুলিশের এই তাণ্ডবের বিরুদ্ধে নিন্দায় সরব হন বিশিষ্টজনেরা। দেশ-বিদেশের পড়ুয়ারাও পুলিশি তাণ্ডবের সমালোচনা করেন। এরপর থেকেই উত্তাল হয়ে রয়েছে জামিয়া ক্যাম্পাস। এমন পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের পরীক্ষার নোটিশ জারি করা হয়। এরপরই তুঙ্গে ওঠে বিক্ষোভ। এমন পরিস্থিতিতেও কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন : নিখোঁজ বিজেপি সাংসদ সানি দেওল, খোঁজ পেতে পোস্টার পড়ল গুরুদাসপুরে]

এরপর সোমবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মূল ফটক বন্ধ ছিল। সেই ফটকের তালা ভেঙ্গে উপাচার্ষের ঘরের কাছে পৌঁছে যান পড়ুয়ারা। উপাচার্যের ঘরের বাইরে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। এদিন মূলত তিনটি দাবি জানান জামিয়ার পড়ুয়ারা।

১)দিল্লি পুলিশের তাণ্ডবের বিরুদ্ধে FIR করতে হবে।

২)পরীক্ষার দিনক্ষণ পিছিয়ে দিতে হবে। FIR হওয়ার পরই পরীক্ষায় বসবেন পড়ুয়ারা।

৩) বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

এই তি্ন দাবিতে দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ চলে। শেষপর্যন্ত আন্দোলন প্রশমিত করতে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য নাজমা আখতার। ১৫ ডিসেম্বরের পুলিশি তাণ্ডব সম্পর্কে তিনি জানান, অনুমতি ছাড়াই পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকেছিল। আগামিকাল, মঙ্গলবার বিকেল থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে FIR প্রক্রিয়া শুরু হবে।

   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.