সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের বাতাসে ধীরে ধীরে আসছে শীতের আমেজ। একইসঙ্গে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের তাঁর দল থেকে ১১ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছেন। এদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপ জন্য এবং “নীতীশের আদর্শকে অমান্য করার” অভিযোগ উঠেছে।
জেডিইউ-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার সিং এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বহিষ্কৃত সদস্যদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘এই নেতারা পার্টি বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকায় দল তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। যা ১১ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী শৈলেশ কুমার, প্রাক্তন বিধায়ক শ্যাম বাহাদুর সিং ও সুদর্শন কুমার এবং বিধান পরিষদের প্রাক্তন সদস্য সঞ্জয় প্রসাদ এবং রণবিজয় সিং।
এই ঘটনায় জেডিইউ-এর এক নেতা বলেন, “এই বহিষ্কৃত নেতারা দলের ঘোষিত প্রার্থী এবং এনডিএ জোটের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন। তাঁরা আমাদের আদর্শকে অমান্য করছিলেন।”
২৪৩ সদস্যের বিহার বিধানসভায় ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর দুই ধাপে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনের ফলাফল ১৪ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে।
অন্যদিকে, ভিআইপি নেতা মুকেশ সাহানিকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে রীতিমতো অপ্রস্তুতে। মুসলিম দলিত- দুই শ্রেণির ভোটাররাই ক্ষুব্ধ। বিশেষ করে মুসলিমরা। তাঁদের আক্ষেপ, বিহারে মুসলমান এবং যাদবরা বরাবর আরজেডি এবং কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে ১৯ শতাংশ মুসলিম নিয়মিত বিরোধী জোটকে সমর্থন করলেও সে তুলনায় তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
সর্বশেষ খবর
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
-
হাতে হাত, রংমিলান্তি পোশাক, ফের একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রীকে দেখে শান্তি ভক্তদের