Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Air Ambulance Crash

উধাও ব্ল্যাক বক্স! ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে ফাঁপরে তদন্তকারীরা

তদন্তের জন্য এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সাহায্য নেবেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের উপর নির্ভর করেই চলবে তদন্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৩:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৩:৩৫

options
link
উধাও ব্ল্যাক বক্স! ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে ফাঁপরে তদন্তকারীরা zoom
দুর্ঘটনার পর ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে ক্ষতিগ্রস্ত বিমান।

ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনার (Air Ambulance Crash) তদন্তে নেমে রীতিমতো ফাঁপরে পড়লেন তদন্তকারীরা। জানা যাচ্ছে, দুর্ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়েও ওই চ্যাটার্ড বিমানের কোনও ব্ল্যাক পাওয়া যায়নি। যে কোনও বিমান দুর্ঘটনার রহস্যভেদের অন্যতম মাধ্যম এই ব্ল্যাক বক্স। তা খুঁজে না পাওয়ায় এই দুর্ঘটনার তদন্ত ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বিকল্প পথে তদন্তে নেমেছেন তদন্তকারীরা।

অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বিমানের ওজন যদি ৫৭০০ কেজির কম হয় সেক্ষেত্রে বিমানে ব্ল্যাকবক্স থাকা বাধ্যতামুলকন নয়। সেই নিয়ম মেনেই এই বিমানে ছিল না কোনও ব্ল্যাক বক্স। এক্ষেত্রে তদন্তের জন্য এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সাহায্য নেবেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ধ্বংসাবশেষ বিশ্লেষণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের উপর নির্ভর করেই চলবে তদন্ত। পাশাপাশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

বিমানের আবহাওয়া সংক্রান্ত রেডার সঠিকভাবে কাজ করছিল কি না, বা রেডারে সমস্যার কারণে পাইলট বিভ্রান্ত হয়েছিলেন কি না তা জানার চেষ্টা চলছে।

তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, বিমানটির আবহাওয়ার রেডার বিকল ছিল কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ওই একই পথে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগোর দুটি বিমান রুট বদলের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু এই বিমানটি ওই রুটেই আসছিল। ফলে বিমানের আবহাওয়া সংক্রান্ত রেডার সঠিকভাবে কাজ করছিল কি না, বা রেডারে সমস্যার কারণে পাইলট বিভ্রান্ত হয়েছিলেন কি না তা জানার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিল বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই৯এল মডেলে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সটি। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড়ান দেয়। রাত ১০টা নাগাদ দিল্লিতে অবতরণের কথা ছিল সেটির। কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ কলকাতা এটিএসের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ঠিক আগে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল বিমানটি। এক সময় পাইলট ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য এটিএসের কাছে অনুমতি চায়। যদিও এর পরেই রাডার থেকে হারিয়ে যায় বিমানটি। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, মাঝপথে ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় সিমারিয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে সেটি। দুর্ঘটনার জেরে বিমানটির পাইলট, চিকিৎসক ও এক রোগী-সহ মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.