Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

রাস্তাতেই সন্তান প্রসব কিশোরীর, মুখ ফেরাল স্বাস্থ্যকেন্দ্র

অমানবিকতার সাক্ষী থাকল ঝাড়খণ্ড।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৩:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ১৩:৩৩

options
link
রাস্তাতেই সন্তান প্রসব কিশোরীর, মুখ ফেরাল স্বাস্থ্যকেন্দ্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারের সামনের রাস্তায় সন্তান প্রসব করে ফেলে সতেরো বছরের এক কিশোরী। সদ্যোজাত সন্তানকে নিয়ে কার্যত নড়াচড়ার ক্ষমতা ছিল না তার। বিষয়টি নজরে আসার পরই মা ও শিশুকে উদ্ধারের জন্য কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে খবর পাঠিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু, নিয়মের দোহাই দিয়ে মা ও সদ্যোজাতকে ভরতি নিতে অস্বীকার করলেন নার্সরা। এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের চাণ্ডিল শহরে।

[যোগীর রাজ্যে বাড়িতে ঢুকে দুই কিশোরীর উপর অ্যাসিড হামলা দুষ্কৃতীদের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও ভোর চারটে নাগাদ প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ওম প্রকাশ শর্মা। তখনই তিনি দেখতে পান, শহরের ব্যস্ত রাস্তার ধারে সদ্যোজাত সন্তানকে নিয়ে বসে রয়েছে এক কিশোরী। সদ্যোজাত সন্তানের নাড়িটা পর্যন্ত কাটা হয়নি। ওই কিশোরীর সারা শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ওম প্রকাশ শর্মা বলেন, ‘কিশোরীটি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। পাশ দিয়ে একের পর এক গাড়ি ঝড়ের বেগে যাচ্ছিল। কিন্তু, তার সরে যাওয়ার ক্ষমতাটুকু ছিল না।’ এরপরই পথ চলতি মানুষই ওই কিশোরীকে চারদিকে ব্যারিকেড করে দেন। মা ও শিশুকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারে খবর পাঠানো হয়। কিন্তু, প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারের নার্সরা ওই কিশোরী ও তার সদ্যোজাত সন্তানকে ভরতি নিতে অস্বীকার করেন। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ওই কিশোরীটির পরিবারের অনুমতি ছাড়া তাদের ভরতি নেওয়া সম্ভব নয়। শেষপর্যন্ত স্থানীয় মানুষের জোরাজুরিতে ওই কিশোরী ও তার সদ্যোজাত সন্তানকে ভরতি নিতে রাজি হন কমিউনিটি হেল্ফ সেন্টারের নার্সরা। তবে জানিয়ে দেওয়া হয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অ্যাম্বুল্যান্সের চালক নেই। তাই ওই কিশোরী ও তার সন্তানকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনার ব্যবস্থা করতে হবে স্থানীয় বাসিন্দাদেরই। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশের হস্তক্ষেপে ঘণ্টা দুয়েক বাদে ওই কিশোরী ও তার সন্তানকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

[ডোকলামের পর ভারতের চালে শ্রীলঙ্কা হাতছাড়া চিনের! ]

জানা গিয়েছে, চাণ্ডিল ব্লকেরই রুচাপ গ্রামে বাড়ি ওই কিশোরীর। বিয়ের আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে তাকে তাড়িয়ে দেন পরিবারের লোকেরা। বাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর, গত চার মাস ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল ওই কিশোরীটি। সে জানিয়েছে, গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর, তাকে ছেড়ে চলে যায় ওই যুবক। লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরীকে বাড়ি রাখতে চায়নি পরিবারের লোকেরাও। হাসপাতালে তরফে জানানো হয়েছে, যদি বাড়ির কেউ নিতে না আসে, তাহলে ওই কিশোরী ও তার সন্তানকে হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

[‘তিন তালাক’ মন্তব্যের জের, সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার কাইফ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.