সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচন থেকে এবার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম)। তাদের অভিযোগ, কংগ্রেস এবং আরজেডির ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের’ শিকার হয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে এর যোগ্য জবাব দেওয়া হবে বলেও তোপ দেগেছে হেমন্ত সোরেনের দল।
জেএমএম নেতা সুদিব্য কুমার বলেন, “২০২০ সালে বিহার নির্বাচনে আরজেডি এবং কংগ্রেস জেএমএমকে তিনটি আসন ছেড়ে দেবে বলে নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু পরে তারা সেই কথা রাখেনি। আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছিল। এদিকে গত বছরের ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস, আরজেডি এবং বামেদের জন্য একটি বড় সংখ্যক আসন ছেড়েছিল জেএমএম। কিন্তু এবছর বিহার ভোটে ফের জেএমএমকে অপমানিত করা হল। আমরা এর কড়া এবং যোগ্য জবাব দেব।”
শনিবারই ইন্ডিয়া জোটে না গিয়ে বিহারে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ছয়টি আসনে একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জেএমএম। একটি দলীয় সভায় জেএমএমের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র সুপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, বিহারে ভোট একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। ছয়টি আসন যথাক্রমে চাকাই, ধামানদাহ, কাটোরিয়া (এসটি), মণিহারি (এসটি), জামুই এবং পিরপাইনটি (এসসি) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দলীয় প্রার্থীরা। উল্লেখ্য, এই আসনগুলিতে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায় ১১ নভেম্বর। সভায় নেতা-কর্মীদের সামনে সুপ্রিয় স্পষ্ট করেন, দাবি অনুযায়ী জেএমএমকে জোট আসন দেইনি বলেই ‘একলা চলো’ নীতি। বারোটি আসনে টিকিট চেয়েছিল তারা।
একদিকে যখন শাসক শিবির (বিজেপি এবং জেডিইউ) প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে ফেলেছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ তখনও আসনরফা নিয়ে টানাপড়েনে ভুগছে। মূলত কংগ্রেস এবং আরজেডির মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। এই অবস্থায় আলাদা করে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় অন্যতম সঙ্গী জেএমএম। এই পরিস্থিতিতে ২৪ ঘণ্টা যেতে না যেতেই আচমকা নির্বাচন থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল হেমন্তের দল।
সর্বশেষ খবর
-
অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে দেওয়া হবে হোমিওপ্যাথি ওষুধ! কেন এমন পরিষেবা কলকাতার হাসপাতালে?
-
লক্ষ্য ২০০ কোটি ভিউ, বিদেশে বাংলার দুর্গাপুজোর প্রচারে ইনফ্লুয়েন্সর নিয়োগ করবে রাজ্য, শর্ত কী?
-
মোদির হাতে পৌঁছনোর আগেই গলে জল ‘ইন্ডিয়া গেট’! ছবি পোস্ট করে বেলজিয়াম বলল ‘নেক্সট টাইম’
-
নির্বাচনের আর দিন ২০ বাকি, তার আগে ‘ক্যাভিয়েট’ বিতর্কে বিদ্ধ সিএবি
-
নেহরু-গান্ধীদের পাশেই মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ! অবশেষে ছাড়পত্র কেন্দ্রীয় সংস্থার