Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
জেএনইউ

জেএনইউতে মুখ ঢাকা হামলাকারী এবিভিপির-ই সদস্য, কোমল শর্মাকে সমন পুলিশের

কোমল শর্মাকে সংগঠনের সদস্য হিসাবে স্বীকার এবিভিপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২০, ০৯:৫৯

options
link
জেএনইউতে মুখ ঢাকা হামলাকারী এবিভিপির-ই সদস্য, কোমল শর্মাকে সমন পুলিশের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জেএনইউ কাণ্ডে অন্যতম মূল অভিযুক্ত মুখ ঢাকা ছাত্রীকে চিহ্নিত করল দিল্লি পুলিশ। ঘটনার ১০ দিন পর অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে পেরেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, কোমল শর্মা নামে ওই ছাত্রী দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং এবিভিপির সদস্য। এতদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ওই ছাত্রীর সম্পর্কে তথ্য প্রকাশিত হলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছিল না বলে অভিযোগ উঠছিল। এমনকি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদও কোমলকে সদস্য হিসাবে মানতে নারাজ ছিল। তবে এবার পুলিশও স্বীকার করেছে, ঘটনার দিন কোমল-সহ বেশ কয়েকজন বহিরাগত পড়ুয়া মুখ ঢেকে জেএনইউতে তাণ্ডব চালায়।

গত ৫ জানুয়ারি জেএনইউতে হামলার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতে দেখা যায় চেক শার্ট পরিহিত ও নীল স্কার্ফে মুখ ঢাকা এক তরুণী লাঠি উঁচিয়ে পড়ুয়াদের হুমকি দিচ্ছে। সবরমতী হস্টেলে সেই তাণ্ডবের ভিডিওতে পড়ুয়াদের মারধর করতেও দেখা যায়। এরপর দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। যদিও প্রাথমিক তদন্তে ক্যাম্পাসে হামলার দায় বামপন্থী পড়ুয়াদের দিকেই ঠেলে দেয়। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম ছিল ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী ঘোষেরও। কিন্তু তিনি সেদিন বহিরাগতদের হামলায় গুরুতর জখম হন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: JNU-এর পুনরাবৃত্তি বিশ্বভারতীতে, রাতে ক্যাম্পাসে ঢুকে হামলার অভিযোগ এবিভিপির বিরুদ্ধে]

জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশ কোমল শর্মা ছাড়াও অক্ষত অবস্থী ও রোহিত শাহ নাম দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৬০ ধারায় (শান্তিভঙ্গ) মামলা রুজু করেছে। তিনজনকে সমনও পাঠিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর, তিনজনেরই কোনও হদিশ নেই। ফোনও বন্ধ রয়েছে। এদের মধ্যে অক্ষত ও রোহিত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে নিজেদের অপরাধ কবুলও করেছে। সেই ভিডিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশইত হতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। সেই সঙ্গে ভাইরাল হয় কোমল শর্মার একটি ভয়েস ক্লিপ। সেই ক্লিপ তিনি তাঁর সহপাঠীকে ইনস্টাগ্রামে পাঠিয়েছিলেন। যাতে তিনি বলথেন, ওই সহপাঠী যেন কাউকে না বলেন যে ৫ জানুয়ারি হস্টেলে হামলার ঘটনায় কোমল জড়িত।

কোমল যে সংগঠনের সদস্য, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন দিল্লি এবিভিপির সম্পাদক সিদ্ধার্থ যাদব। তিনি জানিয়েছেন, কোমলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। তবে তাঁর কোনও খোঁজ নেই। এমনকি সে নিজের সবকটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিয়েছে। এদিকে, দিল্লি পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আরও কয়েকজন পড়ুয়াকে জেরা করেছে। তাঁরা আইসা এবং এসএফআইয়ের সদস্য। সুচেতা তালুকদার এবং প্রিয়া রঞ্জনকে দুঘণ্টা ধরে জেরা করেছে পুলিশ। এঁরাও সেদিনের ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ঐশীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য ভুয়ো, সরব মা শর্মিষ্ঠা ঘোষ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.