Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৩ অক্টোবর ২০২৬
Sushmita Dev

সংসদে সিপিএম সাংসদকে ‘লুঙ্গিওয়ালা’ কটাক্ষ! বিতর্কের মুখে কী সাফাই সুস্মিতা দেবের?

বিষয়টি গড়াল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত। রাজ্যসভার চেয়ারম্যানও বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২০:৪০

link
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ২০:৪০

options
link
সংসদে সিপিএম সাংসদকে ‘লুঙ্গিওয়ালা’ কটাক্ষ! বিতর্কের মুখে কী সাফাই সুস্মিতা দেবের? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সদ্য তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। গেরুয়া শিবির ফের তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে। কিন্তু রাজ্যসভায় গিয়েই বিতর্কে সুস্মিতা দেব। তাঁর বিরুদ্ধে কেরলের সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাসকে ‘লুঙ্গিওয়ালা’ বলে কটাক্ষ করার অভিযোগ। যদিও সুস্মিতার দাবি, তিনি কাউকে লুঙ্গিওয়ালা বলেননি। উলটে তাঁকেই গদ্দার বলা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। বিকেলে সাড়ে চারটে নাগাদ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখছিলেন সিপিআইএম সাংসদ জন ব্রিটাস। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে ‘লুঙ্গিওয়ালা বৈঠ যা’ বলে কটাক্ষ করেন সদ্য বিজেপি আসা সুস্মিতা দেব। সংসদের কার্যবিবরণীতে অবশ্য সেই রেকর্ড নেই। সেই সময় কিছু না বললেও মঙ্গলবার উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভা চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণণকে সুস্মিতার বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দেন জন। এদিন অধিবেশনের শুরুতে সেই বিষয়টি উত্থাপন করেন তিনি। দাবি করেন পোশাক নিয়ে মন্তব্য করায় ক্ষমা চাইতে হবে সুস্মিতাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিরোধী সাংসদরা একযোগে বলা শুরু করেন, এভাবে কারও পোশাক নিয়ে মন্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়। গোটা রাজ্যের সংস্কৃতিকে আঘাত করেছেন তিনি। কংগ্রেস সাংসদ ক্রিস্টোফার তিলক, সিপিআই সাংসদ সন্তোষ কুমাররা বলেন, এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। সংসদে কারও রং, পোশাক বা খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করাটা আপত্তিকর। যদিও সুস্মিতার দাবি তাঁকে ‘গদ্দার’ বলা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি অসমের বাঙালি। কোনও রাজ্যের সংস্কৃতিকে আমি কখনও আক্রমণ করিনি। উনি মিথ্যা কথা বলছেন। আমি এই ধরনের কোনও মন্তব্য করিনি। আমিও স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিয়েছি।”

বিজেপিও সুস্মিতার ওই মন্তব্য থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, “এই ধরনের মন্তব্য আমরা সমর্থন করি না। তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর কথাও শোনা উচিত। দুই সাংসদ চাইলে আমার চেম্বারে এসে কথা বলে নিতে পারেন।” একই রকম বক্তব্য কিরেন রিজিজুরও। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণও বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “কোনও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বা প্রাদেশিক ঐতিহ্যের প্রতি কারও দুই সহকর্মীর কোনও অসম্মান থাকা উচিত নয়।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.