Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Ram Mandir Donation Theft

রাম মন্দিরে ‘চুরি’ প্রকাশ্যে এনেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে সাংবাদিকের বিরুদ্ধেই দায়ের মামলা

সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সাংবাদিক। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার মামলার শুনানি হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
রাম মন্দিরে ‘চুরি’ প্রকাশ্যে এনেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে সাংবাদিকের বিরুদ্ধেই দায়ের মামলা zoom
রাম মন্দির কাণ্ডে সাংবাদিক অভিষেক উপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দায়ের মামলা।
Advertisement

সত্য সামনে আনার খেসারত! রামমন্দিরে প্রণামী চুরির (Ram Mandir Donation Theft) ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছিলেন সাংবাদিক অভিষেক উপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে। ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অন্য একটি মামলায় এফআইআর দায়ের করেছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই সাংবাদিক। 

রাজপথে গন্ডগোল বাধানো-বচসায় জড়ানোর এক ঘটনাকে অস্ত্র করে অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। যা অভিষেকের মতে সারবত্তাহীন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এফআইআরটি খারিজ করার আর্জি জানিয়ে। সোমবার তাঁর আইনজীবী শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছেন, রামমন্দিরের অনুদান-দুর্নীতি ফাঁস করার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ অভিষেককে নানাভাবে হেনস্তা করে চলেছে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সঙ্গে যোগ করা হয়েছে তফসিলি জাতি/উপজাতি ধারাও। আইনজীবীর আদালতের কাছে আবেদন করেন, সোম বা মঙ্গলবার যেন এই মামলার শুনানি হয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার মামলার শুনানি হবে।

Advertisement

রাজপথে গন্ডগোল বাধানো-বচসায় জড়ানোর এক ঘটনাকে অস্ত্র করে অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। যা অভিষেকের মতে সারবত্তাহীন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’ তৈরি হয়েছিল৷ জানা যায়, সেই সময় থেকে শুরু করে এ যাবৎ রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলেনি৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷ এই ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করে উত্তর প্রদেশ সরকার। তদন্তে স্পষ্ট হয় চুরির বিষয়টি। মামলার তদন্তে নেমে মন্দিরের একাধিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাইয়ের ভূমিকাও।

এদিকে আগে যেখানে দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা রাম মন্দিরের সরকারি রেজিস্টার্ড অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত, এখন সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ। অর্থাৎ চুরি বন্ধ হওয়ার পর থেকে স্রেফ নগদেই ৮ লক্ষ টাকা করে দৈনিক রোজগার বেড়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের। এতেই বোঝা যায়, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে স্রেফ নগদে চুরি হত। সোনাদানা এবং অন্যান্য অলঙ্কার তো রয়েইছে। এদিকে সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.