সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শমীক জমানাতে ‘ব্রাত্য’ দিলীপ ঘোষ। দিল্লি গিয়েও মিটল না অভিমান। জে পি নাড্ডার বাড়িতে গিয়েও তাঁর দেখা পেলেন না বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। কার্যত শূন্য হাতেই ফিরতে হল তাঁকে। যদিও এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন দিলীপ। বললেন, “যা বলার সময় মতো বলবেন।” তবে শোনা যাচ্ছে, বিকেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডার সঙ্গে দেখা হতে পারে দিলীপের।
প্রধানমন্ত্রীর দুর্গাপুরের সভামঞ্চে থাকবেন দিলীপ ঘোষ? গত কয়েকদিন ধরে চর্চায় এই একটাই বিষয়। কখনও শোনা গিয়েছে, দলের তরফে আমন্ত্রণ পত্র পৌঁছেছে দাপুটে এই নেতার কাছে। যদিও পরে তিনি নিজে দাবি করেছেন বঙ্গ বিজেপি আমন্ত্রণ করেনি। তবে দিলীপ বলেছিলেন কর্মী হিসেবে তিনি যাবেন সভায়। শুক্রবার সকালে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লি রওনা হন বিজেপি নেতা। সেই সময় জানা গিয়েছিল, নাড্ডার তলবেই নাকি দিল্লি পাড়ি।
এদিন দিল্লি পৌঁছে ঘড়ির কাঁটায় একটা নাগাদ জে পি নাড্ডার বাড়িতে যান দিলীপ। কিন্তু মিনিট পাঁচেকের মধ্যে বেরতে দেখা যায় তাঁর গাড়ি। জানা যায়, নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি। সেই সময় সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ সাফ জানালেন, তিনি কিছু বলবেন না। এরপর তিনি জানান, “সময় হলেই যা বলার বলবেন।” দীর্ঘদিন ধরেই আদি-নব্য দ্বন্দ্বে জর্জরিত বঙ্গ বিজেপি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কোণঠাসা হতে হয়েছে দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষকে। তবে শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপি সভাপতি হওয়ার পর ছবিটা বদলাবে বলেই আশা করেছিলেন সকলে। কিন্তু মোদির সভায় আমন্ত্রণ না জানানো, একইদিনে দিল্লি সফর, নাড্ডার দেখা না পাওয়ায় মোটের উপর স্পষ্ট যে, বিজেপি ব্রাত্যই এককালের দাপুটে নেতা দিলীপ। যদিও বিকেলে নাড্ডা-দিলীপের সাক্ষাৎ হলে বদলাতে পারে সমীকরণ।
সর্বশেষ খবর
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের