১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: #MeToo ঝড়ে কাঁপছে বলিউড। রাজনীতি, খেলাধূলাতেও প্রবেশ করেছে এই ট্রেন্ড। একের পর এক মহিলারা নিজেদের উপর হয়ে যাওয়া যৌন হেনস্তা, নির্যাতন তথা শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আনছেন। অলোক নাথ থেকে শুরু করে এম জে আকবর। এমনকি বাদ যাননি বিগ বি অমিতাভ বচ্চনও। একের পর এক মহিলাদের টুইটে বিদ্ধ হয়েছেন সমাজের সব শ্রেণির সেলেব্রিটিরা । কিন্তু যাঁরা প্রকাশ্যে যৌন হেনস্তার অভিযোগগুলি আনছেন তাঁরা কী বিচার পাবেন না? এ প্রশ্ন অনেকের মনেই উঠছিল। এবার তার ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র।

[সত্য বলুন দৃপ্তস্বরে, #MeToo বিতর্কে মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী]

আন্দোলন দানা বাঁধার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মধ্যে প্রথম মুখ খুলেছিলেন নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মানেক গান্ধী। তিনিই আবার প্রথম বিচার নিয়ে মুখ খুললেন। অভিযোগকারী মহিলাদের পাশে দাঁড়িয়ে আরও এক পদক্ষেপ এগিয়ে আসতে আহ্বান করলেন। যে মহিলারা অভিযোগ করছেন তাঁরা যাতে বিচার পান সেই ব্যবস্থা করবে কেন্দ্রই। নির্যাতিতাদের সমস্ত রকম সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কমিটি গঠন করে ফেলল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক।  তিনি জানালেন, #MeToo অভিযোগগুলির বিচারের জন্য আলাদা একটি  ৪ সদস্যের কমিটি তৈরি করা হবে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা।

[সাক্ষাৎকারের নামে ‘যৌন হেনস্তা’, কাঠগড়ায় সাজিদ খান]

আগেই মানেকা জানিয়েছিলেন, যৌন হেনস্তা হলে যতদিন পরে ইচ্ছে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। এবার তিনি জানালেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা যৌন হেনস্তার অভিযোগের একযোগে শুনানি করবেন। নির্যাতিতাদের সমস্তরকম আইনি পরামর্শও তাঁরাই দেবেন।তিনি বলেন, ‘‘আমি মনে করি প্রতিটি অভিযোগের পিছনেই একটি মানসিক যন্ত্রণা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্তার প্রতিটি অভিযোগই অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। কোনও অবস্থাতেই কাউকে রেয়াত করা হবে না।’’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং