সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিভিসি-সেচ দপ্তরের সংঘাত অব্যাহত। এর মধ্যে সংসদ অধিবেশনে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে দ্রুত ডিভিসি, ফরাক্কা ব্যারেজ সংস্কারের দাবি তুললেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ জুন মালিয়া (June Malia)। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। ওইদিনই জুন মালিয়া এই প্রস্তাব আনেন। তাঁর স্পষ্ট দাবি, ‘আর দেরি নয়, দ্রুত কেন্দ্রের তৎপরতা চাই।’
বর্ষার মরশুমে রাজ্যকে না জানিয়ে বারবার বিভিন্ন বাঁধ থেকে জল ছাড়া নিয়ে সংঘাত তৈরি হয় কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত প্রায় ফি বছরের বিষয় হয়ে উঠেছ। এই সংক্রান্ত যৌথ কমিটিতে রাজ্যের প্রতিনিধিদের থাকা নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। রাজ্য সরকার ও শাসকদলের অভিযোগ, এভাবে ইচ্ছেমতো বাঁধগুলি থেকে জল ছাড়াতেই ভাসে দক্ষিণবঙ্গের নিচু এলাকাগুলি। এছাড়া বাঁধগুলিতে ঠিকমতো সংস্কার না হওয়া তার জলধারণ ক্ষমতাও ধীরে ধীরে কমছে বলে দাবি রাজ্য সরকারের। বর্ষার মরশুমে বাংলার এই সমস্যার কথা তুলে সংসদে সরব হলেন মেদিনীপুরের তৃণমূল সাংসদ জুন মালিয়া।

সোমবার লোকসভায় শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনই ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী জুন এনিয়ে লিখিত প্রস্তাব আনেন। রীতিমতো তথ্য-পরিসংখ্যান দিয়ে তাঁর বক্তব্য, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে ডিভিসি থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ। বন্যায় লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে ওঠে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার এনিয়ে কেন্দ্রের সাহায্য চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বিষয়টি কেন্দ্র গুরুত্বই দেয়নি। এমনকী সমস্যাগুলোই কখনও চিহ্নিত করা হয়নি। এসব অভিযোগের পাশাপাশি প্রস্তাবপত্রে জুনের (June Malia) জোরাল দাবি, ‘একতরফাভাবে জল ছাড়ার কারণে আর পশ্চিমবঙ্গ ভুগবে না। আমাদের জনজীবন খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাদের সুরক্ষিত রাখতে হবে। আর বিলম্ব নয়, এবার আমরা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান চাই। কেন্দ্রকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই পানামার বিরুদ্ধে নামবে ভারত, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল ফেডারেশন
-
ঠিকভাবে উল্লেখ নেই রাস্তার নাম! কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে ৭ দফা আপত্তি সিপিএমের
-
হাসপাতালে থাকতে নারাজ বিমান বসু, ফিরতে চাইছেন কলকাতায়! কবে ছুটি?
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?