Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
UU Lalit

প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিয়েই বাবার পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিলেন ইউইউ ললিত

শপথে উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২২, ১৭:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২২, ১৭:৩১

options
link
প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিয়েই বাবার পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিলেন ইউইউ ললিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি (Chief Justice of India) হিসাবে শপথ নিলেন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত। এনভি রামানার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। উপস্থিত ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।

এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে ললিতের (UU Lalit) শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর নব্বই বছর বয়সি বাবাও। শপথ নেওয়ার পরে প্রধান বিচারপতি তাঁর বাবার কাছে গিয়ে পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন। ললিতের বাবা উমেশ রঙ্গনাথ ললিত নিজেও দীর্ঘদিন মহারাষ্ট্র হাই কোর্টের বিচারপতি ছিলেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামানার স্ত্রী এবং দুই ছেলে।

[আরও পড়ুন: বিএসএফের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ ইস্যুতে পথে নামছে তৃণমূল, রবিবার বাগদায় প্রতিবাদ মিছিল]

বিচারপতি এসএম সিকরির (SM Sikri) পরে ললিতই দ্বিতীয় বিচারপতি যিনি সরাসরি বার থেকে প্রধান বিচারপতি হবেন। এর আগে সিকরি ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৩ সময়কালে দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলেছিলেন। প্রধান বিচারপতির পদে ললিতের বেশিদিন থাকা হবে না। মাত্র আড়াই মাস এই পদে থাকবেন তিনি। আগামী ৮ নভেম্বর ললিতের ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হবে। তারপরই অবসর নেবেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সে প্রধান বিচারপতির পদে থাকা যায় না। এর আগে মাত্র চারজন ললিতের থেকে কম সময়ের জন্য প্রধান বিচারপতি পদে ছিলেন।

[আরও পড়ুন: ‘তদন্তে অসহযোগিতা করিনি’, যাদবপুরের ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাবি মানিকের]

১৯৮৩ সালের জুন মাসে আইনজীবীর কাজ শুরু করেন ললিত। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বম্বে হাই কোর্টে প্র্যাকটিস করার পরে দিল্লি হাই কোর্টের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। পরে ২০০৪ সালে তিনি সিনিয়র অ্যাডভোকেট হন। ২০১৪ সালের ১৩ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই পদে থাকবেন। তারপর অবসর নেওয়ার কথা তাঁরও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.