সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইস্তফা দেওয়ার সময় ইয়েদুরাপ্পার বক্তব্যে সাফ ইঙ্গিত ছিল কংগ্রেস-জেডি(এস) সরকার বেশি দিন টিঁকবে না। খুব শীঘ্রই ফের সরকার গড়ার দাবি নিয়ে ফিরবেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের অনেকের ধারণা ছিল জনতা দল এবং কংগ্রেসের এই জোট স্বাভাবিক জোট নয়, ফলে যে কোনও সময় তাতে চিড় ধরতে পারে । সেই চিড় ধরার ইঙ্গিত কি তবে সরকার গড়ার আগেই পাওয়া গেল? কর্ণাটকে জনতা দলের দ্বিগুণেরও বেশি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। তবু বিজেপিকে রুখতে জেডিএসকে নিঃস্বার্থ সমর্থনের কথা ঘোষণা করে কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপি সরকার পড়ে যেতেই কিছুটা যেন বেসুরো শোনাল বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জাতীয় দল হওয়া সত্ত্বেও ছোট আঞ্চলিক দলকে সমর্থন করার পিছনে একটা দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক অবশ্যই আছে।
High command will take decision. We, being a national party, supported JD(S) – a regional party, to uphold Constitutional principles & democracy. Keeping everything in mind, there ought to be a ‘give & take’ equation: Mallikarjun Kharge, Congress on #Karnataka cabinet formation pic.twitter.com/mJ5IEc6lMM
Advertisement— ANI (@ANI) 20 May 2018
[কর্ণাটকের রাজ্যপাল ‘বিশ্বস্ত কুকুর’, মন্তব্য করে বিতর্কে কংগ্রেস নেতা]
এতদিন যে কংগ্রেস নিঃশর্ত সমর্থনের কথা বলছিল তারাই আজ দেওয়া-নেওয়ার কথা বলছে। স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা অস্বস্তিতে জেডি(এস)। তবে কী মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভাগ চাইছে রাহুল গান্ধীর দল। অতীতে এ দেশে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ভাগ করে নেওয়ার নজির আছে। তবে, দ্বন্দ্বের তত্ত্ব একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন হবু মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রিত্বের কোনও ভাগ হবে না। কুর্সির ভাগ না হলেও মন্ত্রিসভায় কিন্তু আধিক্য থাকছে কংগ্রেসেরই। এখনও পর্যন্ত যা সুত্রের খবর, কর্ণাটকে কুমারস্বামীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন ৩৩ জন। তার মধ্যে ২০ জনই কংগ্রেস বিধায়ক, মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন ১৩ জন জনতা দল বিধায়ক। শীঘ্রই দিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করবেন কুমারস্বামী। সেখানেই চূড়ান্ত হবে রফা।
[কর্ণাটকে ভোট মিটতেই চেনা ফর্মে জ্বালানি, সর্বকালের রেকর্ড দাম পেট্রল-ডিজেলের]
এদিকে, কর্ণাটকে এখনও বিধায়ক অপহরণের আশঙ্কায় ভুগছে জোট শিবির। গতকাল থেকে ফের নিজেদের সমস্ত বিধায়ককে একত্রিত করে রিসর্টে রেখেছে জেডিএস। তাদের আশঙ্কা পদত্যাগ করার আগে যেভাবে ঘোড়া কেনাবেচায় মেতেছিল বিজেপি, সে ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে কুমারস্বামীর সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের আগে। কংগ্রেসের তরফে আজ সাংবাদিক বৈঠকে ‘ঘোড়া’ কিনতে উদ্যোগী বিজেপি নেতাদের শাস্তির দাবি করা হয়েছে। গতকালই খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার বিরুদ্ধে ফোন করে বিধায়ককে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ তুলেছিল কংগ্রেস। অডিও টেপ প্রকাশ করে অভিযোগ ইয়েদুরাপ্পার ছেলে এবং বিজেপিপন্থী খনি মাফিয়া জনার্দন রেড্ডির বিরুদ্ধেও বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ তোলে কংগ্রেস। আজ এইসব নেতাদের শাস্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীরও হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা।
সর্বশেষ খবর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
-
মমতার জন্যই ধ্বংস ইন্ডিয়া জোট, নীতীশের এনডিএ যোগের নেপথ্যেও কালীঘাট! প্রকাশ্যে রিপোর্ট