Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
RSS

কর্নাটকে নিষিদ্ধ হতে চলেছে RSS! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি খাড়গে পুত্রের, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

প্রিয়াঙ্কের চিঠি মুখ্যসচিবের কাছে পাঠিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৫, ১২:০৬

options
link
কর্নাটকে নিষিদ্ধ হতে চলেছে RSS! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি খাড়গে পুত্রের, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)কে নিষিদ্ধ করার দাবি কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকে। শতবর্ষ প্রাচীন এই সংগঠনের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে চিঠি লিখলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। তাঁর অভিযোগ, আরএসএস অসাংবিধানিক কার্যকলাপে জড়িত। দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি স্বরূপ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়েছে কর্নাটকে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি।

শতবর্ষ উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালন করছে আরএসএস। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সংগঠনের সম্মানে ডাক টিকিট ও মুদ্রা প্রকাশ করেছেন। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই আরএসএসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, রাজ্যে এই সংগঠনের সমস্ত কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হোক। জনসমক্ষে অর্থাৎ কোনও স্কুল, খোলা মাঠে এদের যেন কোনও সভার অনুমতি না দেওয়া হয়। এমনকী সরকারি স্থানে আরএসএসের যাবতীয় কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। খাড়গে বলেছেন, আরএসএস তার কার্যকলাপের মাধ্যমে দেশের শিশু ও যুবদের মনে ঘৃণার বীজ বপন করে। পুলিশের অনুমতি ছাড়াই এই সংগঠনের কর্মীরা লাঠি ব্যবহার করে বলে অভিযোগ তাঁর।

Advertisement

সরকারি সূত্রের খবর, প্রিয়াঙ্কের চিঠি পাওয়ার পর সেই চিঠি রাজ্যের মুখ্যসচিব শালিনী রজনীশকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহের পর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে এই চিঠির পালটা কর্নাটক সরকার ও প্রিয়াঙ্ককে একহাত নিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের গেরুয়া সভাপতি বিজয়ন্দ্র বলেন, কংগ্রেস সভাপতির পুত্রের আরএসএস সম্পর্কে কোনও ধারনা নেই। ১৯৬২ সালে চিন-ভারত যুদ্ধের সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে নিষিদ্ধ করেছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা কয়েক মাস পর প্রত্যাহার করা হলে ১৯৬৩-র প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকওয়াজে সঙ্ঘ অংশ নেয়।‌ স্বাধীনতা আন্দোলনে আরএসএসের বিশাল অবদান রয়েছে। ‌

একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, আসলে কর্নাটকে আরএসসের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা হজম করতে পারছে না কংগ্রেস। যার জেরেই এরা অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে। সারা দেশে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি যেখানে আরএসএস সদস্যরা কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গ। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে আরএসএসের বিরোধিতা করলেও, আরএসএসের নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে এবং তারা সর্বদা দেশকেরক্ষার কাজে নিয়োজিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.