Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Gauri Lankesh

বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব! গৌরী লঙ্কেশ খুনে মূল অভিযুক্তকে জামিন দিল আদালত

২০১৭ সালে বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনেই খুন হন গৌরী লঙ্কেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৩, ১০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২৩, ১০:১১

options
link
বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব! গৌরী লঙ্কেশ খুনে মূল অভিযুক্তকে জামিন দিল আদালত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনে মূল অভিযুক্তকে জামিন দিল কর্নাটক হাই কোর্ট। বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, ৫ বছরের উপর জেলবন্দি ছিলেন অভিযুক্ত মোহন নায়ক। 

৭ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ শেঠি মূল অভিযুক্ত মোহন নায়কের (৫৬) জামিন মঞ্জুর করেন। বিচার প্রক্রিয়ার ধীর গতির কারণে এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে আদালতের তরফে। এই খুনের ঘটনায় মোহনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও সংগঠিত অপরাধ আইনের ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল। আদালতের মতে, কর্নাটকের এই আইনে দোষী  সাব্যস্ত বলেও যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায় না। বুধবার এই মামলা পর্যবেক্ষণ করে হাই কোর্টের তরফে জানানো হয়, “এই মামলার কোনও সন্তোষজনক অগ্রগতি নেই। বিচার প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হচ্ছে। তাই অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘লিভ ইন ব্যাধি’ মন্তব্যে তুলেছিলেন লোকসভায় ঝড়, ‘বিতর্কিত’ সেই ধরমবীর কিন্তু জায়ান্ট-কিলার]

প্রসঙ্গত, বেঁচে থাকার সময় ধর্মীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছিলেন গৌরী লঙ্কেশ (Gauri Lankesh)। ২০১৭ সালে ৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনেই গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। এর পরই দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তদন্ত নেমে প্রায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তড়িঘড়ি একটি বিশেষ দল তৈরি করে তদন্তও শুরু করে দেওয়া হয়। এর পর থেকে মোট ১৭ জন অভিযুক্ত ধরা পড়েছে। 

বলে রাখা ভালো, চল্লিশ বছর আগে তাঁর বাবা যে ‘লঙ্কেশ পত্রিকা’ শুরু করেছিলেন, গৌরী পরে তার সম্পাদক ছিলেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে ‘কমিউনাল হারমনি ফোরাম’ নামে একটি গোষ্ঠীকে ক্রমাগত উৎসাহ দিতেন তিনি। যে গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বপক্ষে এবং দক্ষিণপন্থী হিন্দুত্ববাদের বিপক্ষে জনমত সংগঠিত করত। আর তা নিয়ে গোয়ার হিন্দুত্ববাদী সনাতন সংস্থা বা হিন্দু জন জাগৃতির সঙ্গে তাঁর অশান্তি শুরু হয়েছিল বলে জানা যায়। এর জেরেই খুন করা হয় তাঁকে বলে অভিযোগ।   

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী বাছতে নাকাল বিজেপি, তিন রাজ্যে পর্যবেক্ষক দল

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.