দিকে দিকে ভাঙছে বিরোধী শিবির। বাংলায় তৃণমূল ভেঙে খানখান। মহারাষ্ট্রে ভেঙেছে শিব সেনা। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টিতেও ভাঙনের আশঙ্কা। এমনকী বৃহস্পতিবারও ঝাড়খণ্ডের রাজ্যসভা নির্বাচনেও ক্রসভোটিংয়ের জেরে নিশ্চিত আসন হাতছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের। এসবের মধ্যে উলটো খেলা কর্নাটকে। সেরাজ্যের ১৬ এনডিএ বিধায়ক ভোট দিলেন কংগ্রেসকে।
রাজ্যসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই কর্নাটকে বিধান পরিষদেরও ভোট হয়েছে বৃহস্পতিবার। মোট ৭ আসনের ওই নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। কংগ্রেসের পাঁচজন। দু’জন বিজেপির, এবং একজন এনডিএ শরিক জেডিএসের। সব দলের বিধায়করা নিজেদের প্রার্থীকে ভোট দিলে কংগ্রেসের চার এবং এনডিএর দুই শরিকের ৩ আসন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গেল কংগ্রেস পাঁচ আসন দখল করেছে। মাত্র দুই আসন পেয়েছে এনডিএ।
আরও পড়ুন:
আসলে ২২৫ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় প্রতিটি আসনে জয়ের জন্য ২৯ জন করে বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল। কংগ্রেসের পাঁচ প্রার্থীই পেয়েছেন ২৯ বা তার বেশি ভোট। বিজেপির দুই প্রার্থীর একজন ২৯ এবং একজন ২৭ ভোট পেয়েছেন। জনতা দল সেকুলার প্রার্থী মাত্র ১৪ ভোট পেয়েছেন। আসলে কর্নাটকে এই মুহূর্তে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৩৫। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৬৪ এবং বিজেপির শরিক জেডিএসের আসন সংখ্যা মাত্র ১৯। হিসাবে মতো কংগ্রেসের ওই ১৩৫টি ভোট পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হাত শিবিরে ১৫১টি ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ ১৬ জন বিধায়ক কংগ্রেসের পক্ষে ক্রস ভোট করেছেন।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের ক্যারিশমাতেই কর্নাটকে এনডিএ শিবিরে ভাঙন ধরাতে সক্ষম হয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে এই অপ্রত্যাশিত ফলাফলে স্তম্ভিত বিজেপি। কারা ক্রস ভোট করল, খোঁজ করছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে জেডিএস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যে সব বিধায়ক ক্রস ভোট করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার ঘরের মাঠে এসিএল টু’র অভিযানে ইস্টবেঙ্গল, টিকিট বিক্রির শুরুতেই ভক্তদের জন্য সুখবর!
-
ভূতনিজুড়ে অকূল জল! প্রশাসনের তৎপরতায় ছাদহীন পড়ুয়ারা মানিকচকে বসল পরীক্ষায়
-
মুক্তির আগেই গিনেস রেকর্ড দীপিকা-আল্লুর ৮০০ কোটির ‘রাকা’র, ‘পোয়া বারো’ পরিচালক অ্যাটলির
-
লেনিন-মার্কস অতীত, তৃণমূল আমলের বিশ্ব বাংলা সরণিরও নামবদল, কী হবে নতুন নাম?
-
সাতসকালেই সন্ধিপুজো! এবার অষ্টমীর অঞ্জলি কখন দিতে হবে জানেন?