Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

কাঠুয়া গণধর্ষণ মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে না, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০১৮, ১৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০১৮, ১৯:১৭

options
link
কাঠুয়া গণধর্ষণ মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে না, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ লাগাতার চাপ দিয়ে চলেছে কাঠুয়া কাণ্ডের সাক্ষীদের। এমন অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু বুধবার সে আবেদন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, এদিন সুপ্রিম কোর্ট আরও একবার পরিষ্কার করে দিল, অভিযুক্তদের দাবি মেনে কাঠুয়া গণধর্ষণ মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দেওয়া হবে না। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দেয়, জম্মু ও কাশ্মীর ক্রাইম ব্রাঞ্চই ঘটনার তদন্ত করবে।

[কংগ্রেসের সমর্থনে সরকার গড়ুন, কুমারস্বামীকে ফোন মমতার]

কাঠুয়ায় আট বছরের শিশুকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় তিনজন সাক্ষী বলেন, পুলিশ এবং বিচারকের কাছে তাঁরা ইতিমধ্যেই নিজেদের জবানবন্দি দিয়েছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও বারবার তাঁদের বিরক্ত করছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। অভিযোগ, তাঁদের ফের থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। এবং তাঁদের বয়ান আরও একবার রেকর্ড করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এমনকী তাঁদের পরিবারের উপরও বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছে। এমন অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছিলেন সাক্ষীরা। কিন্তু সে আবেদন এদিন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।

Advertisement

[সেতু ভেঙে পড়ার জের, চার আধিকারিককে বহিষ্কার করে তদন্ত কমিটি গঠন যোগীর]

চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ৮ বছরের শিশুকন্যাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া গ্রামে। পরে এলাকা থেকে নির্যাতিতার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হয়। এরপর কাঠুয়া জেলা আদালতে ওই সাতজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। গত ৭ মে মামলাটি পাঠানকোট আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুধু যে পাঠানকোট আদালতে যে পাঠিয়েছে তা নয়, সেই সঙ্গে কিছু নির্দেশিকাও জারি করেছিল। বলা হয়, এই মামলার প্রতিটি শুনানি করতে হবে ক্যামেরার সামনে। সমস্ত শুনানির রেকর্ড রাখতে হবে। যাতে পরে দরকার পড়লে সেই রেকর্ড কাজে লাগানো যায়। রাজ্য যেভাবে তদন্ত চালাচ্ছে, সেভাবেই তদন্ত চলবে। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীর সরকারকে পাঠানকোট আদালতে আইনজীবী নিয়োগেরও অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে আক্রান্তের পরিবারকে উপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও বলেছে। তবে এর আগেই জম্মু ও কাশ্মীর সরকার সুপ্রিম কোর্টকে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.