Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
RSS

‘খোলা থাক আলোচনার রাস্তা’, ভারত-পাক কূটনীতি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে পরামর্শ RSS-এর

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বার্তা, পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতের আস্থা হারিয়েছে। তবে পাকিস্তানের মতো দেশের বিরুদ্ধে ভারত কঠোর হলেও, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা উচিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৫:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৫:১৭

options
link
‘খোলা থাক আলোচনার রাস্তা’, ভারত-পাক কূটনীতি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে পরামর্শ RSS-এর zoom
আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে।
Advertisement

সীমান্ত সন্ত্রাস, পর পর জঙ্গি হামলা, ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের জেরে ‘কুকুরের লেজ’ পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন করেছে দিল্লি। এই অবস্থায় মোদি সরকারের উদ্দেশে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বার্তা, পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতের আস্থা হারিয়েছে। তবে পাকিস্তানের মতো দেশের বিরুদ্ধে ভারত কঠোর হলেও, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা উচিত।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, ”যে কোনও দেশের নিরাপত্তা ও আত্মসম্মান রক্ষা করার অধিকার রয়েছে। বর্তমান সরকারের এই বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত। কিন্তু একইসঙ্গে কূটনৈতিক দরজা পুরোপুরি বন্ধ রাখা উচিত নয় আমাদের। ওদের (পাকিস্তান) সঙ্গে আলোচনার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে আমাদের।” পাশাপাশি আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “দুই দেশের মধ্যে চলমান অচলাবস্থা ভাঙতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ। এই মুহূর্তে সেই পথই অনুসরণ করা উচিত।”

Advertisement

আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “দুই দেশের মধ্যে চলমান অচলাবস্থা ভাঙতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ। এই মুহূর্তে সেই পথই অনুসরণ করা উচিত।”

প্রচলিত কূটনৈতিক চ্যানেলের বাইরে ‘ট্র্যাক টু’ কূটনীতি নিয়ে সরকার নীরব থাকলেও, বিরোধী দলের নেতা-সহ বহু বিশিষ্টজন দুই দেশের সুশীল সমাজের মধ্যে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়ে এসেছেন। এই প্রসঙ্গে আরএসএস নেতা বলেন, “আমি মনে করি এটাই একমাত্র আশা, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি শেষ পর্যন্ত সুশীল সমাজই দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে। কারণ আমাদের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। একটা সময় আমরা একই জাতির ছিলাম। এই বিষয়ের উপরই জোর দেওয়া উচিত দুই পক্ষের।”

উল্লেখ্য, ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বারবার ভারতের বিরুদ্ধে মারণ আঘাত হেনেছে প্রতিবেশী পাকিস্তান। প্রতিবার মিলেছে যোগ্য জবাবও। অতীতে প্রতিটি সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির চেষ্টা করে গিয়েছেন। আর প্রতিবারই পিছন থেকে ছুরি চালিয়েছে জিন্নাহ-র দেশ। মোদি জমানাতেও পাক সন্ত্রাস রক্তাক্ত করেছে ভারতকে। সবশেষে গত বছর পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন করেছে ভারত। বাণিজ্য থেকে ভিসা আদানপ্রদান, এমনকী বাতিল করে দেওয়া হয়েছে নেহরু জমানার সিন্ধু জলচুক্তি। যার জেরে রীতিমতো বিপাকে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হলেও আলোচনার রাস্তা খোলা রাখার পক্ষেই মত দিল আরএসএস।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.