Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Kerala CM impasse

‘ওয়ানড় ভুলে যান’, কেরলের মুখ্যমন্ত্রিত্ব বিতর্কের মধ্যে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের নিশানা কংগ্রেস কর্মীদের

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কেটে গিয়েছে ন'দিন। অন্য রাজ্যে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীরা একে একে শপথ নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু কেরলমে মুখ্যমন্ত্রিত্বের জট এখনও কাটাতে পারেনি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৯:২১

options
link
‘ওয়ানড় ভুলে যান’, কেরলের মুখ্যমন্ত্রিত্ব বিতর্কের মধ্যে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের নিশানা কংগ্রেস কর্মীদের zoom
বঙ্গের ভোটপ্রচারে আসছেন রাহুল, প্রিয়াঙ্কা। ফাইল ছবি

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কেটে গিয়েছে ন’দিন। অন্য রাজ্যে নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীরা একে একে শপথ নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু কেরলমে মুখ্যমন্ত্রিত্বের জট এখনও কাটাতে পারেনি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। তবে সূত্রের খবর, কুর্সির লড়াই এখন দুই নেতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। একজন হাইকমান্ডের বিশ্বাসভাজন কে সি বেণুগোপাল, অন্যজন কেরলম বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন। জট কাটাতে কেরলমের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। জানা গিয়েছে, অধিকাংশই বেণুগোপালের পক্ষে। বিরোধিতা নগণ্য। ফলে শীঘ্রই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা হতে পারে।

সম্প্রতি রাহুল গান্ধী, ইউডিএফ আহ্বায়ক অধুর প্রকাশ এবং কেপিসিসি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির প্রধান তিরুভাঞ্চুর রাধাকৃষ্ণান-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির পাঁচজন প্রাক্তন সভাপতি এবং কেপিসিসি-র তিনজন কার্যনির্বাহী সভাপতি। জানা গিয়েছে, নেতাদের মধ্যে সাতজন পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কে সি বেণুগোপালকে সমর্থন করেছেন। ভি ডি সতীশন এই দশজন নেতার মধ্যে দু’জনের সমর্থন পেয়েছেন, আর একজন নিরপেক্ষ ছিলেন। অর্থাৎ বেণুগোপালের পক্ষেই পাল্লা ভারী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূত্রের খবর, কে মুরলীধরন ও ভি এম সুধীরন সমর্থন করেছেন সতীশনকে, অন্যদিকে বেণুগোপালের সমর্থকদের নাম এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী তথা প্রবীণ নেতা রমেশ চেন্নিথালা দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। চেন্নিথালা বলেছেন যে, কেরলমের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, রাজ্যের সমস্ত কংগ্রেস ও ইউডিএফ কর্মী তা মেনে নেবে। কিন্তু চেন্নিথালা যা-ই বলুন কেরলমের কংগ্রেস কর্মীরা কিছুতেই বেণুগোপাকে মুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না। তাঁদের সাফ কথা, কেরলে কংগ্রেস জিতেছে ভিডি সতীশনের জন্য। তাই তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। কেরলজুড়ে পোস্টার, ব্যানার দিচ্ছেন কংগ্রেস কর্মীরা। তাতে বলা হচ্ছে, “সতীশনকে মুখ্যমন্ত্রী না করলে ওয়ানড় ভুলতে হবে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে।”

তিনি বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। বৈঠকে রাহুল গান্ধী কেরলম কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবদমান গোষ্ঠীগুলোর রোড শো এবং শক্তি প্রদর্শন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে খবর। কেরলম বিধানসভার মোট ১৪০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ১০২টি আসনে জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে বিদায়ী এলডিএফ পেয়েছে ৩৫টি আসন। বিজেপি শেষ পর্যন্ত ৩টি আসন জিতেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.