Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

আবুধাবিতে কেরলের যুবকের রহস্যমৃত্যু, শোকস্তব্ধ পরিবারে এল অপরিচিতের দেহ

মৃত কোট্টারন আবুধাবির তৈল শোধনাগারের সুপারভাইজার ছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৯:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৯:৪৩

options
link
আবুধাবিতে কেরলের যুবকের রহস্যমৃত্যু, শোকস্তব্ধ পরিবারে এল অপরিচিতের দেহ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদেশবিভুঁইতে ছেলের মৃত্যুর খবরে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিল গোটা পরিবার।এবার বিমানে চড়ে দেহ আসতেই নতুন বিপত্তি। শোকস্তব্ধ বাবা-মা দেখলেন ছেলের কফিন থেকে বেরোচ্ছে অপরিচিতের মৃতদেহ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কেরলে। কেরলের যুবক নিধিন ওথাইওথ কোট্টারন (২৯)। তাঁর মৃতদেহের বদলে বাড়িতে এল তামিলনাড়ুর বাসিন্দা কামাতচি কৃষ্ণনের (৩৯) মৃতদেহ। ওই একই জায়গায় কর্মরত ছিলেন কৃষ্ণন। তবে কি করে দেহ পালটে গেল তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

[পছন্দ হয়েছে, ১৫ লক্ষ বছরের পুরনো নিদর্শন জাদুঘর থেকে নিয়ে উধাও প্রৌঢ়]

জানা গিয়েছে, আবুধাবির রুয়াইস এলাকার একটি তৈল শোধনাগারের সাইট সুপারভাইজারের পদে কর্মরত ছিলেন যুবক কোট্টারন। চলতি মাসের পাঁচ তারিখে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান সহকর্মীরা। তবে কোট্টারনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও অন্ধকারে পুলিশ। এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর পৌঁছাতেই তাঁর কেরলের বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া। শেষপর্যন্ত বুকে একপ্রকার পাথর চাপা দিয়েই ছেলের শেষকৃত্যের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অভিভাবকরা। শুক্রবার রাতে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আসে কোট্টারনের দেহ। বাড়িতে কফিন পৌঁছাতেই বিপত্তি নজরে আসে। তবে একটা বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। পাঁচ তারিখে কোট্টারনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে তখনও জীবিত রয়েছেন কৃষ্ণন। তাঁর মৃত্যু হয় সাত তারিখে। তাহলে কী করে দেহ বদল হল, এনিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

ভারতীয় দূতাবাসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি নজরে এসেছে। কীভাবে এতবড় দুর্ভাগ্যজনক ভুল হল তা জানা নেই। মৃতের পরিবারকে সমস্ত রকমের সাহায্য করাই হল প্রথম প্রাধান্য। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোট্টারনের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়াই এখন মূল উদ্দেশ্য। কোট্টারনের দেহকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে বেশকিছু তথ্যাদির প্রয়োজন রয়েছে। পরিবারের কাছে পুনরায় কিছু নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কৃষ্ণনের দেহ কেরলের ওয়ানাড এলাকার মর্গে রাখা রয়েছে। সেখানেই কোট্টারনের বাড়ি। মৃতের আত্মীয়রা চাইলে কেরল থেকে দেহ নিয়ে যেতে পারেন। তামিলনাড়ুতে বিদেশমন্ত্রকের আধিকারিকরা মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে।

[বন্দুকের ভয়ে যুবককে বিয়েতে রাজি হলেন ভোপালের সেই মডেল]

এই প্রসঙ্গে আবুধাবিতে বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার ম্যানেজার রঞ্জন দত্ত বলেন, শুক্রবার আবুধাবি থেকে কালিকটের উদ্দেশে রওনা দেওয়া ফ্লাইটেই কোট্টারনের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা ঠিক হয়। ওই একই দিনে কৃষ্ণনের দেহ এতিহাদ ফ্লাইটে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল। সঙ্গে মৃতদের আত্মীয়ও ছিলেন। তারপর যদি কোনওরকম গোলযোগ হয়ে থাকে তবে তা মানুষের ভুল। এয়ার ইন্ডিয়া শেষপর্যন্ত সহায়তার জন্য তৈরি। মৃতের পরিবারের হাতে যাতে তাড়াতাড়ি দেহ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়, তাই করা হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.