Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নৃশংস! কিশোর ছেলেকে টুকরো টুকরো করে পুড়িয়ে মারল মা

বাড়ি লাগোয়া কলাবাগানেই পুঁতে দিল দেহ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৮, ০৯:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০১৮, ০৯:৫২

options
link
নৃশংস! কিশোর ছেলেকে টুকরো টুকরো করে পুড়িয়ে মারল মা zoom
প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিশোর ছেলেকে টুকরো করে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম জিতু (১৪)।ওই কিশোর স্থানীয় কুন্দারা এমজিডি বয়েজ হাইস্কুলের ছাত্র। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে কী কারণে মায়ের হাতে ছেলে খুন হল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের কোল্লাম এলাকায়।

[রাম মন্দির তৈরিতে সমর্থন, পোড়ানো হল মুসলিম মহিলার বাড়ি]

জানা গিয়েছে, গত দু’দিন ধরে নিখোঁজ ছিল জিতু। আজ সকালেই বাড়ির কাছের কলাবাগান থেকে তার দগ্ধ দেহটি উদ্ধার হয়। মাটি চাপা অবস্থায় দেহটি প্রথম দেখতে পায় স্থানীয়রা। তারপর পুলিশে খবর যায়। পুলিশ এসে ক্ষতবিক্ষত আধপোড়া দেহটি উদ্ধার করে। প্রথমেই মায়ের দিকে সন্দেহের তির যায়নি। কেননা, জিতুকে না পাওয়া গেলে স্বামীকে নিয়ে থানায় মিসিং ডায়েরি করতে আসেন ওই মহিলা। দেহ উদ্ধারের পর পুলিশের তরফে পরিবারের প্রত্যেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এইসময় মৃত কিশোরের মায়ের বক্তব্যে নানা রকম অসঙ্গতি পাওয়া যায়। তখন বেশ কয়েকবার তাকে জেরা করা হলে প্রতিবারই জবানবন্দি বদলে যায়। এরপরেই একপ্রকার সন্দেহাতীত হয়ে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগে তার মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ

Advertisement

এই প্রসঙ্গে কোল্লামের পুলিশ কমিশনার এ শ্রীনিবাস জানিয়েছেন, ওই কিশোরকে মেরে ফেলার পর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সারা শরীরেই আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দেহটি জ্বালানোর পরেই বাড়ি লাগোয়া কলাবাগানে পুঁতে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই মৃতের মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও লোকজনের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে কী কারণে জিতুকে মারা হল তা এখনও স্পষ্ট নয়।

[‘এক শহিদের বদলে দশ পাকিস্তানি জান’, হুঁশিয়ারি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.