Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

ভাঙল ঐতিহ্য, মন্দিরে নারীর পোশাকবিধি রদ হল কেরলে

এখন থেকে শাড়ি ছাড়া অন্য ভারতীয় পোশাকেও মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন নারীরা!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৬, ১৫:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৬, ১৫:২১

options
link
ভাঙল ঐতিহ্য, মন্দিরে নারীর পোশাকবিধি রদ হল কেরলে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে ভাঙনের মুখে শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য। স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কেরলের তিরুবনন্তপুরমের পদ্মনাভস্বামী মন্দির কর্তৃপক্ষ- মন্দিরে প্রবেশের জন্য নারীদের ক্ষেত্রে পোশাকবিধি বলে আর কিছু থাকছে না।
আসলে দেবতা তো আর শালীন বা অশালীনতার তফাত করেন না। ফলে, শাড়ি পরলে তা শালীন এবং অন্য কোনও পোশাক নারীদের পক্ষে অশালীন- এরকম একটা জায়গা থেকে বিরোধিতার মুখে পড়েছিল ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তীর্থক্ষেত্র। বহু শতাব্দী ধরে নিয়ম ছিল এখানে, শাড়ি বা ধুতি ছাড়া অন্য কোনও পোশাকে এই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না নারীরা। সেই নিয়মের বিরোধিতা করে সম্প্রতি কেরল উচ্চ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী রিয়া রাজি। তাঁর অভিযোগপত্র খতিয়ে দেখার পরে মন্দিরের কাছে সমন পাঠায় আদালত। তাঁদের এই ব্যাপারে সদর্থক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলে।
তার পরেই নড়েচড়ে বসেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্ত নেন, তাঁরা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়েই চলবেন। “এখন থেকে শাড়ি ছাড়া অন্য ভারতীয় পোশাকেও মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন নারীরা”, জানিয়েছেন মন্দিরের এক্সিকিউটিভ অফিসার কে এন সতীশ। অন্য দিকে, মন্দির কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো উত্তেজিত আইনজীবী রিয়াও।
“আমি নিজে পদ্মনাভস্বামীর ভক্ত। বহু বার ওই মন্দিরে গিয়েছি এবং ভবিষ্যতেও যাব। কিন্তু ওই মন্দিরে নারীদের পোশাকবিধি নিয়ে যে নিয়ম আছে, তা অর্থহীন। কেরলের অধিকাংশ মহিলাই এখন সালোয়ার কামিজ পরতে অভ্যস্ত। তা কোনও অশালী পোশাকও নয়। সেই জায়গা থেকেই আমি মামলা করেছিলাম আদালতে। তাতে যে মন্দির কর্তৃপক্ষ সদর্থক ভূমিকা পালন করেছেন, এটা ভেবেই ভাল লাগছে। এর পরে সালোয়ার পরেই মন্দিরে গিয়ে পুজো দিতে পারব”, জানিয়েছেন রিয়া।
তবে কে এন সতীশ যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিলেও মন্দির কর্তৃপক্ষ কার্যত এই বিষয়ে দুই দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে। একদল মত দিয়েছেন সতীশের মতে। অন্য তরফের বক্তব্য, ধর্মীয় আচারবিধিতে কোনও পরিবর্তনই কাঙ্ক্ষিত নয়। তাও আবার আদালতের হস্তক্ষেপে। ফলে কেরল উচ্চ আদালতের এই রায়ের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতে যাবেন বলে স্থির করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষের একাংশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.