Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
শিব সেনা

‘কারও বাপের দেশ নয় ভারত’, বিজেপিকে খোঁচা সঞ্জয় রাউতের

হিন্দু-মুসলিমে বিভাজন করছে বিজেপি, তোপ শিব সেনা সাংসদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৯, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০১৯, ১৪:১৯

options
link
‘কারও বাপের দেশ নয় ভারত’, বিজেপিকে খোঁচা সঞ্জয় রাউতের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুর্সির লড়াইয়ের জন্য দীর্ঘ ৩৫ বছরের জোটসঙ্গী বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করেছে শিব সেনা। মহারাষ্ট্রে অ-বিজেপি সরকার গড়তে ‘চিরশত্রু’ কংগ্রেসের সঙ্গেও হাত মিলিয়েছে বালাসাহেব ঠাকরের দল। এবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াল শিব সেনা। সেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত এই আইনের বিরোধিতায় তোপ দাগলেন, ‘ কারও বাপের দেশ নয় এটা’!

রবিবার টুইটারে বিজেপিকে একহাত নিয়ে রাউত বিখ্যাত কবি রাহাত ইন্দোরির কবিতার লাইন উদ্ধৃত করে লেখেন, ‘সভি কা খুন শামিল হ্যায় এহাঁ কি মিট্টি ম্যায়, কিসি কে বাপ কা হিন্দুস্তান থোড়ি হ্যায়!’ যার অর্থ, ‘সবার রক্ত মিশে আছে এই দেশের মাটিতে, কারও বাপের দেশ নাকি ভারত’! এর আগে রাজ্যসভাতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশের সময় কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাউত। তখন বলেছিলেন ভোটব্যাংকের রাজনীতির জন্য বিজেপি দেশে হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের সৃষ্টি করছে। সরকার হিন্দু শরণার্থীদের দেশের কোথায় থাকার ব্যবস্থা করবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অসমে জমি কিনতে পারবেন ভূমিপুত্ররাই, আইনে বড়সড় বদলের উদ্যোগ রাজ্য সরকারের]

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিব সেনা সুপ্রিমো কেন্দ্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি জানতে চাই, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পর তাঁদের কোথায় ও কীভাবে পুনর্বাসন দেবে সরকার? আমার মনে হয় না কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা রয়েছে।’ সুপ্রিমোর পথে হেঁটেই এবার সংশোধিক নাগরিকত্ব আইন বিরোধিতায় চাঁচাছোলা ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করলেন সাংসদ রাউত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.