সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক দেশ, এক পরিচয়। এই নীতিতেই চলছে কেন্দ্র। আর এই তাগিদেই প্রতিদিন নতুন করে বাড়ছে আধার কার্ডের কদর। এবার থেকে জন্ম, মৃত্যুর মতোই বিয়ের ক্ষেত্রেও আধার রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করার পথে হাঁটছে কেন্দ্র। মঙ্গলবার এমনটাই সুপারিশ করেছে ল’ কমিশন।
[জিএসটির ধাক্কা হেঁশেলে, একধাক্কায় অনেকটাই বাড়ছে ভরতুকিযুক্ত সিলিন্ডারের দাম]
ভারতের মতো দেশে যেখানে ভিন্ন ধর্মের মানুষের বাস, সেখানে বিয়ের পদ্ধতি নিয়েও নানা মতবাদ প্রচলিত। আইনি পথে রেজিস্ট্রেশনের উপায় অবশ্য আছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হয় না। ফলে এখনও বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা ঘটে। নাবালিকাদের জোর করে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে আবার প্রতারণার শিকার হতে হয় মেয়েদের। এর প্রতিকার করার জন্যই বিয়ের ক্ষেত্রে আধার নম্বর নথিভুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বি এস চৌহানের নেতৃত্বাধীন ল’ কমিশন। সর্ব ধর্ম নির্বিশেষেই এই আইন চালু করার কথা বলা হয়েছে।
[প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ছবি ভাইরাল, শাস্তির মুখে মধ্যপ্রদেশের ট্রাফিক সার্জেন্ট]
কমিশনের তরফ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে, বিয়ের তিরিশ দিনের মধ্যেই এই রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। যাতে কোনও প্রকার বেআইনি কার্যকলাপ রোখা সম্ভব হয়। আর তিরিশ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন না করানো হলে নেওয়া হোক উপযুক্ত ব্যবস্থা। কী সেই ব্যবস্থা? কমিশনের সুপারিশ, অবস্থা বুঝেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সাধারণ ক্ষেত্রে যদি ৩০ দিনের মধ্যে আধার রেজিস্ট্রেশন না করানো হয় তাহলে প্রতিদিন ৫ টাকা করে জরিমানা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আর যদি তাতেও কাজ না হয়, তাহলে আরও কড়া শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। কমিশনের মতে, এই রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই বিয়ে সংক্রান্ত নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
[আরএসএসের শাখা হয়ে উঠেছে রাজভবন, বিস্ফোরক অভিযোগ ডেরেকের]
সর্বশেষ খবর
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য
-
নেপালে খোঁজ মিলল বাংলার দু’জনের, বাকিদের কী খবর? টিম পাঠাতে চান শুভেন্দু
-
নিজের ব্যানার-পোস্টার নিজেই খুললেন মন্ত্রী শংকর, শিলিগুড়িকে সাজাতে অভিনব উদ্যোগ
-
‘শুধু অন্তর্বাস পরে একশো পুরুষের সামনে’, শুটিংয়ে বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা দিয়া মির্জার