সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় বায়ুসেনার মাত্র ৫০টি অস্ত্রের আঘাত। আর তাতেই কুপোকাত হয় পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুরের তিন মাস পর লড়াইতে বায়ুসেনার ভূমিকা প্রকাশ্যে আনলেন বায়ুসেনা অধিকর্তা নর্মদেশ্বর তিওয়ারি। সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এয়ার মার্শাল নর্মদেশ্বর তিওয়ারি জানিয়েছেন, পাকিস্তানকে যুদ্ধবিরতির টেবিলে আনার জন্য ৫০ টিরও কম অস্ত্র ব্যবহার করেছিল বায়ুসেনা। তিনি বলেছেন, ”আমাদের কাছে শত্রুপক্ষের অনেকগুলি টার্গেটের তালিকা ছিল।
শেষ পর্যন্ত সেই সংখ্যা নেমে আসে ৯টিতে। যুদ্ধ শুরু করা খুব সহজ, কিন্তু তা শেষ করা মোটেও সহজ নয়। তাই যে কোনও পরিস্থিতির মুকাবিলার জন্য বাহিনীকে সর্বদা মোতায়েন রাখা হয়েছিল।” এই সাফল্যের কৃতিত্ব ভারতীয় বায়ুসেনার কার্যকরি কৌশলকেই দিয়েছেন এয়ার মার্শাল নর্মদেশ্বর তিওয়ারি। যে কৌশল ভারতকে প্রাথমিক আঘাত সামলে প্রত্যাঘাত করতে সফল করেছিল। পাকিস্তানকে বাধ্য করেছিল আলোচনায় বসতে।
বায়ুসেনার অধিকর্তা নর্মদেশ্বর আরও জানিয়েছেন, দিল্লি থেকে সাফ নির্দেশ ছিল ভারতীয় সেনার প্রত্যাঘাত যেন সকলের চোখে পড়ে। ভবিষ্যতেও ভারতের উপর কোনও হামলা হলে এভাবেই জবাব দেওয়া হবে। এছাড়াও যুদ্ধ আরও বড় আকার নিলে তার জন্যও বাহিনীকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শত্রুপক্ষের যে কোনও হামলার জবাব দেওয়ার জন্য উচ্চ পর্যায় থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে কঠিন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে কোনওরকম সমস্যা হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁতে জঙ্গি হামলার জবাবে গত ৭ মে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন জঙ্গিঘাঁটি গুলিতে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা। টানা চারদিন ভারতীয় বাহিনীর একনাগাড়ে হামলায় শেষ পর্যন্ত মাথা নোয়াতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। ১০ মে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষে রাজি হয় ভারত সরকার।
সর্বশেষ খবর
-
ফের বেপরোয়া গতির বলি! কামালগাছি বাইপাসে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২, আশঙ্কাজনক আরও ২
-
ফের আকাশে বিপর্যয়, কানপুরে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল বিমান, চলছে উদ্ধারকাজ
-
‘বৃষ্টির মধ্যে ৫ ঘণ্টা জঙ্গলে বসে…’, জলরোষে বিধ্বস্ত নেপাল থেকে কী জানালেন উদ্বিগ্ন খরাজ?
-
ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে টেস্ট! সারাংশের ‘নিষ্প্রাণ’ বোলিং নিয়ে চিন্তায় শুভমানরা
-
বাংলায় শিল্পের ‘অমৃতকাল’, নিউটাউনে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের অফিস উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর, বিপুল কর্মসংস্থান