Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Gujarat

৯০ মিনিট ধরে মারধর, গোপনাঙ্গে গরম তরল, হাড়হিম করা ‘হত্যাকাণ্ড’ গুজরাটের নেশামুক্তি কেন্দ্রে!

নিজেদের রোয়াব বোঝাতে যুবককে খুন অভিযুক্তদের, দাবি পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৩, ১৪:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৩, ১৪:৫০

options
link
৯০ মিনিট ধরে মারধর, গোপনাঙ্গে গরম তরল, হাড়হিম করা ‘হত্যাকাণ্ড’ গুজরাটের নেশামুক্তি কেন্দ্রে! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat) নেশামুক্তি কেন্দ্রে নৃশংস হত্য়াকাণ্ড। ৯০ মিনিট ধরে নৃশংস অত্যাচারের পর নেশাসক্ত যুবককে পিটিয়ে মারার অভিয়োগ উঠেছে কেন্দ্রের ম্য়ানেজার-সহ ৮ জন। যদিও যুবকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে শেষকৃত্য সেরে ফেলেছিল অভিযুক্তরা। পরে অবশ্য পুলিশ খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করতেই প্রকৃত সত্য উঠে আসে। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের পাটান এলাকায়।

সুরাটের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত মেহসানা জেলার নেশামুক্তি কেন্দ্রে গত ছ’মাস ধরে ভরতি ছিলেন হার্দিক সুথার নামে এক যুবক। গত মাসে তাঁর মৃত্যু হয়। শেষকৃত্যও হয়ে গিয়েছিল। হার্দিকের পরিবারকের ওই কেন্দ্রের ম্যানেজার সন্দীপ প্যাটেল জানিয়েছিলেন, আচমকা রক্তচাপ কমে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে। দিন দুয়েক আগে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারে পাটান এলাকার বি ডিভিশনের পুলিশ। তাদের সন্দেহ হওয়ায় নেশামুক্তি কেন্দ্রে এসে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতেই আসল তথ্য় উঠে আসে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জেলে ভরার হুমকির জের, শুভেন্দুকে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস মন্ত্রীর, তদন্তের নির্দেশ স্পিকারের]

পুলিশ জানিয়েছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শৌচাগারের ঢুকে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল হার্দিক। বিষয়টি জানতে পারে সন্দীপ-সহ সাত-আটজন শৌচাগারে ঢুকে তাঁর হাত-পা কষে বেঁধে দেয়। এরপর চলে অত্যাচার। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে প্লাস্টিকের মোটা পাইপ দিয়ে চলে মারধর। এরপর লাইটারের আগুনে পাইপের একাংশ গলিয়ে ফেলা হয়। আর সেই গরম তরল প্লাস্টিক ঢেলে দেওয়া হয়েছিল হার্দিকের গোপনাঙ্গে। এমনকী, তাঁর গোপনাঙ্গের লোম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরপর নিজেদের কৃতকর্ম ঢাকতে সন্দীপের গাড়িতে করে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল হার্দিককে। সারা রাত গাড়িতেই পড়েছিল তাঁর দেহ। পরের দিন যুবকের আত্মীয়দের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, নেশামুক্তি কেন্দ্রে নিজের ক্ষমতা বোঝাতেই এই ঘটনা ঘটায় সন্দীপ। যাতে অন্যান্য নেশাসক্তরা বেচাল না করে। আর নিজের রোয়াব বোঝাতে যুবকের প্রাণ কেড়ে নিল অভিযুক্তরা। তাদের সকলকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘স্বামী পরিত্যক্ত মহিলাকে বিধবা বলাটা অপমানজনক’, দাবি শোভনপত্নী রত্নার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.