Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

কৃষকদের ঋণ মকুব করা ফ্যাশন হয়ে উঠেছে , তোপ বেঙ্কাইয়ার

‘কৃষিঋণ মকুব করা এখন ফ্যাশন’

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১৩:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১৩:৩৬

options
link
কৃষকদের ঋণ মকুব করা ফ্যাশন হয়ে উঠেছে , তোপ বেঙ্কাইয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : বিজেপি দু’গোল দিয়েছে। কংগ্রেস কি করে পিছনে থাকে? বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রে ঋণমকুব করা হয়েছিল। সেই পথে হেঁটে পাঞ্জাব ও কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারও ঋণ মাফের কথা ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন কৃষকদের স্বার্থের বকলমে কি রাজনৈতিক পাল্লা ভারির খেলা চলছে?

[‘পাকিস্তানের জয়ে উল্লাস করলে সে দেশেই থাকা উচিত’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেইসুরেই গলা মেলালেন কেন্দ্রের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডু। রাজ্যগুলির কৃষিঋণ মকুবের ধুম দেখে তাঁর মন্তব্য, এই ইস্যু এখন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্য সরকারগুলির উচিত স্রোতে না ভেসে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া। নিজেদের কোষাগারের কথাও মাথায় রাখা উচিত বলে মত তাঁর। সেই অনুযায়ী আর্থিক ঘাটতি পূরণের পথে হাঁটার পরামর্শ দিয়েছেন বেঙ্কাইয়া। কৃষিঋণ মকুব সমাধানের পথ নয় বলে মত তাঁর।

[এবার সেন্সরের কোপে শাহরুখের ‘জব হ্যারি মেট সেজল’]

এর আগে, উত্তরপ্রদেশে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মকুবের সিদ্ধান্ত যোগী আদিত্যনাথ সরকারের। উল্লেখ্য,  উত্তরপ্রদেশে ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারেবারেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের ঋণ মকুব করা হবে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু ক্ষমতায় বসার প্রায় দু-সপ্তাহ উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়নি। পরে যোগী সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ মকুবের সিদ্ধান্ত নেয়।

punjab_web

 

এরপরেই ঋণ মকুবের সিদ্ধান্ত নেয় মহারাষ্ট্র। টানা ১১ দিন ধরে মহারাষ্ট্রের নাসিক, কোলাপুর, আহমেদানগর, সাংগলি ও পুণে জুড়ে কৃষক বিক্ষোভ চলে। গোটা রাজ্যে প্রায় ৫ লক্ষ কৃষক ধর্মঘটে শামিল হন। কৃষকদের দাবি বিবেচনা করে দেখার জন্য বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। এরপরেই কৃষিঋণ মকুব করার কথা ঘোষণা করে সরকার। ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের কৃষকদের জন্যই শুধু ঋণ মকুব করা হয়। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ১ কোটি ৩৫ লক্ষ কৃষকদের মধ্যে ঋণ মকুব করা হয় মাত্র ৩১ লক্ষ কৃষকের। এই কৃষিঋণের জন্য রাজ্যকে ভর্তুকি দিতে হবে ৩০,৫০০ কোটি টাকা।

পা বাড়ায় পাঞ্জাবও। দু-লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মকুবের কথা ঘোষণা করা হয়। ছোট ও মাঝারি কৃষকদের জন্য, বিশেষত যারা পাঁচ একর পর্যন্ত জমিতে চাষাবাদ করেছেন, তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর নিয়ে আসে অমরিন্দর সিং সরকার। তারপর কৃষিঋণ মকুবের দৌড়ে এবার নাম জুড়ল কর্নাটকের। বুধবারই কর্নাটকের সিদ্দারামাইয়া সরকার কৃষিঋণ মাফের পথে হাঁটল।

farmers

কৃষিঋণ মকুবের এই দৌড়ে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেছেন বেঙ্কাইয়া। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন এই সতর্কবার্তা কি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর জন্যও?  সেক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বেসুরে বাজবে না তো, প্রশ্ন বিভিন্ন শিবিরের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.