Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Vrindavan Temple corridor

বৃন্দাবন মন্দিরের করিডর বানানোর প্রতিবাদে সরব পুরোহিতরা, রক্ত দিয়ে চিঠি মোদি-যোগীকে

করিডরের জন্য ভাঙতে হবে ৩০০টি বাড়ি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৩, ১৬:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৩, ১৬:০৫

options
link
বৃন্দাবন মন্দিরের করিডর বানানোর প্রতিবাদে সরব পুরোহিতরা, রক্ত দিয়ে চিঠি মোদি-যোগীকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃন্দাবনের (Vrindavan) বিখ্যাত বাঁকে বিহারী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় করিডর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার (Uttar Pradesh)। এই কাজের জন্য পাঁচ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। কিন্তু এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে সরব হয়েছেন ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা। সরকারের প্রকল্পের ফলে ঘরছাড়া হতে হবে, ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে, এমনই আশঙ্কা করছেন তাঁরা। সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) রক্ত দিয়ে চিঠি লিখেছেন পুরোহিত ও দোকানিরা।

জানা গিয়েছে, গত দু’দিন ধরে বৃন্দাবনের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় সমস্ত দোকান বন্ধ রয়েছে। ব্যবসা বন্ধের আশঙ্কায় কাঁটা হয়ে থাকা স্থানীয়দের সমর্থনে পথে নেমেছেন মন্দিরের পুরোহিতরা। ইতিমধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন তাঁরা। বাঁকে বিহারী মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অমিত গৌতম জানিয়েছেন, নিজের শরীরে রক্ত দিয়ে চিঠি লিখছেন প্রতিবাদীরা। অবিলম্বে এই প্রকল্প বন্ধ করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, সরকারি প্রকল্পের জেরে প্রায় ৩০০টি দোকান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। জীবিকা হারাবেন প্রচুর মানুষ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে বিরাট সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, খতম দুই লস্কর জঙ্গি]

ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের দাবি, একশো বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের বাড়িতেই মন্দির গড়ে দেবতার পুজো করছেন তাঁরা। এই করিডর বানাতে গিয়ে যদি তাঁদের বাড়ি ধ্বংস করা হয়, তাহলে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগবে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে এলাহাবাদ হাই কোর্টে মামলা চলছে। আদালতের নির্দেশেই একটি কমিটি গঠন করে প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ কর হয়। সেখানেই জানানো হয়, করিডর গড়তে গেলে অন্তত ৩০০টি বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। চলতি মাসেই এই বিষয়ে শুনানি শুরু হবে সুপ্রিম কোর্টে।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের দাবি, এই করিডর গড়ে তুললে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে কৃষ্ণ মন্দিরে পৌঁছে দেওয়া যাবে। একই মত মথুরার বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনীর। একটি বিবৃতি প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, এই করিডরের ফলে বিদেশি পর্যটকদের জন্য মথুরার দরজা খুলে যাবে। পুণ্যার্থীরা সহজেই মন্দিরে পৌঁছতেই পারবেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অসুবিধার কথা মাথায় রাখবে সরকার।

[আরও পড়ুন: শীঘ্রই প্রকাশিত হবে JEE Main পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, কীভাবে ডাউনলোড করবেন?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.