Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

এবার ভারতেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক F-16 যুদ্ধবিমান

আরও ভয়ঙ্কর হতে চলেছে বায়ুসেনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৭, ০৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৭, ০৩:৫৫

options
link
এবার ভারতেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক F-16 যুদ্ধবিমান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে উজ্জীবিত করে এবার ভারতেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক F-16 যুদ্ধবিমান। সোমবার মার্কিন অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থা লকহিড মার্টিনের সঙ্গে যৌথভাবে এই বিমান তৈরি করার চুক্তি স্বাক্ষর করল টাটা গ্রুপ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বহুচর্চিত বৈঠকের আগে এই চুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

[ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের উচ্ছ্বাসে শূন্যে গুলি, করাচিতে আহত ৭]

Advertisement

লকহিড-টাটা চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের উপর সরাসরি কোনও প্রভাব না ফেলেই লকহিডের টেক্সাসের বিমান তৈরির কারখানাটি ভারতে স্থানান্তরিত করা হবে। এ বিষয়ে টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন জানিয়েছেন, লকহিড ও টাটা যৌথ উদ্যোগে ভারতে যুদ্ধবিমান তৈরি করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে দু’টি সংস্থার মধ্যে সম্পর্ক ও দায়বদ্ধতা আরও জোরালো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বায়ুসেনায় যুদ্ধবিমানের ঘাটতি মেটাতে প্রায় ২০০টি জেট কিনতে চলেছে ভারত। কয়েক বিলিয়ন ডলারের এই বিশাল চুক্তি বাগিয়ে নিতে ইতিমধ্যে বিশ্বের তাবড় অস্ত্র নির্মাণকারী সংস্থাগুলির মধ্যে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে একযোগে লড়াই চালাতে গেলে এই মুহূর্তে বায়ুসেনার প্রয়োজন ৪৪টি  স্কোয়াড্রনের। কিন্তু বর্তমানে বায়ুসেনার হাতে রয়েছে মাত্র ৩২টি  স্কোয়াড্রন। তাই এই ঘাটতি মেটাতে  ভারতের তালিকায় রয়েছে F-16,  Gripen-E, F-18s,  Rafales ও MiG-35 এর মতো বিমান। তবে F-16 ও Gripen-E  দিকেই পাল্লা ঝুঁকে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

[লেখাপড়ায় বাধা, স্বামীকে তিন তালাক দিল মুসলিম কিশোরী]

মার্কিন বায়ুসেনায় আর ব্যবহৃত না হলেও পাকিস্তান-সহ বিশ্বের ২৬টি দেশ প্রায় ৩ হাজার ২০০টি F-16 বিমান পরিচালনা করে। তাই ভারতে এই বিমান তৈরি হলে তা রপ্তানি করা যাবে বলেও জানিয়েছে দুই সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ভারতীয় বায়ুসেনায় F-16 বিমান যুক্ত হলে  চিন ও পাকিস্তানের দুশ্চিন্তা প্রবল হবে বলেই মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। অত্যাধুনিক ওই বিমানে রয়েছে এমন রাডার যা দৃষ্টিসীমার বাইরে শত্রুপক্ষের বিমান খুঁজে বের করতে সক্ষম। এছাড়াও বিভিন্ন মিসাইল ও গাইডেড বোমা যা দিয়ে মুহূর্তে ধ্বংস করে দেওয়া যায় শত্রুসেনার ঘাঁটি।  তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মেক ইন আমেরিকা’ স্লোগান ও আউটসোর্সিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া মনোভাবের প্রেক্ষিতে টাটা-লকহিড চুক্তি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে।

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.