Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Lokpal

‘লোকপাল এখন শোকপাল’, BMW-র পালটা কাজের হিসেব চেয়ে তোপ কংগ্রেসের

ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ২০১৩ সালে লোকপাল গঠন করা হয়েছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৫, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৫, ১৪:৫৭

options
link
‘লোকপাল এখন শোকপাল’, BMW-র পালটা কাজের হিসেব চেয়ে তোপ কংগ্রেসের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিলাসবহুল মহার্ঘ বিএমডব্লু গাড়ির আবেদন জানিয়েছে দেশের দুর্নীতি দমন বিভাগ লোকপালের আধিকারিকরা। এই দাবি সামনে আসতেই মোদি সরকার ও লোকপালের বিরুদ্ধে সরব হল কংগ্রেস। হাত শিবিরের শীর্ষ নেতা জয়রাম রমেশ জানালেন, লোকপাল এখন শোকপালে পরিণত হয়েছে। এই সংস্থার কাজের হিসেব চাইলেন তিনি।

ইউপিএ-২ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর আন্না হাজারে অনশনে বসেছিলেন লোকপাল নিয়োগের দাবিতে। যার কাজ নিরপেক্ষভাবে দুর্নীতির তদন্ত। যদিও বাস্তবে এই সংস্থার কর্মকাণ্ড খুব একটা নজরে আসেনি। সম্প্রতি সেই লোকপালের আধিকারিকরা যে টেন্ডার প্রকাশ করেছেন তাতে দেখা যায় ৭ জন আধিকারিক ৭০ লক্ষ টাকা দামের একেকটি গাড়ির আবদার জানানো হয়েছে। ওই ৭ জনের মধ্যে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অজয় মানিকরাও খানউইলকরও। এবং এও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গাড়িগুলি নিয়ে বিলম্ব না করে দ্রুত তা সরবরাহ করতে হবে। দুই সপ্তাহের মধ্যে তা পেতে হবে। কিন্তু কোনওভাবেই ৩০ দিনের বেশি দেরি করা যাবে না বলে টেন্ডারে উল্লেখও করা হয়।

Advertisement

এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে দুর্নীতি দমনকারী সংস্থার আধিকারিকদের জন্য কেন এত বিলাসবহুল গাড়ির প্রয়োজন? এই ইস্যুতেই বুধবার সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয়রাম রমেশ বলেন, “লোকপাল আর লোকপাল নেই। এটি শোকপাল বা শকপালে পরিণত হয়েছে। আন্না হাজারে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ‘ইন্ডিয়া এগেনস্ট কোরাপশন’ এবং ‘আরএসএস’ ২০১২-১৩ সালে এই লোকপালের দাবিতে প্রচুর প্রচার চালিয়েছিল। কিন্তু সংস্থা প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এর হাল দেখুন। এরা এতদিনে কী তদন্ত করেছে? কতজনকে গ্রেপ্তার করেছে?”

উল্লেখ্য, ব্যাপক আন্দোলনের পর ২০১৩ সালে দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল লোকপাল। এই সংস্থার কাজ হল, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত করা। যদিও বাস্তবে এই সংস্থার কোনও কর্মকাণ্ড সেভাবে দেশবাসীর নজরে পড়েনি। এই ইস্যুতে এক্স হ্যান্ডলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সমাজকর্মী প্রশান্ত ভূষণ। তিনি লিখেছেন, ‘মোদি সরকার লোকপাল নামের প্রতিষ্ঠানটিকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। বহু বছর ধরে তাদের বহু সদস্যকে দুর্নীতি নিয়ে উদাসীন থেকে বিলাসিতা নিয়েই মাতিয়ে রাখা হয়েছে। এখন তাঁরা ৭০ লাখের বিএমডবলিউ গাড়ি কিনছেন নিজেদের জন্য!’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.