Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
LPG

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে হেঁশেল, অবশেষে দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার মোদি সরকারের

কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছিলেন, দেশে গ্যাস বা তেলের কোনও সংকট নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন,  “ভারতের হাতে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল রয়েছে। তেল এবং গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক। সিএনজি ১০০ শতাংশ সরবরাহ হচ্ছে। এলএনজির সরবরাহেও কোনও সমস্যা নেই।” তিনি দাবি করেন, যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে যখন জ্বালানি সংকট, সেই আঁচ ভারতে পড়েনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:৫৮

options
link
যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে হেঁশেল, অবশেষে দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার মোদি সরকারের zoom
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ভারতের হেঁশেলে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে ভারতের হেঁশেলে। অবশেষে দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার করে নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। তবে কেন্দ্র এ-ও স্পষ্ট করেছে, দেশের কোনও বিতরণ কেন্দ্রেই গ্যাস ফুরিয়ে যায়নি।

ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর ক্রেতা। যার ৯০ শতাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। বর্তমানে এই পথ বন্ধ রেখেছে ইরান। তবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজকে সম্প্রতি তেহরান ছাড়পত্র দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্তা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আতঙ্কিত হয়ে বহু মানুষ একসঙ্গে বুকিং করছেন। এর ফলে আরও সমস্যা বাড়ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বুকিং করুন। যুদ্ধ আবহে একসঙ্গে ৮৮ লক্ষ বুকিং এসেছে। ফলে জটিলতা তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বহু অসাধু ব্যবসায়ী সিলিন্ডারের কালোবাজারি করছেন। এগুলি রোধ করতে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে।”

Advertisement

কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছিলেন, দেশে গ্যাস বা তেলের কোনও সংকট নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি বলেন,  “ভারতের হাতে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল রয়েছে। তেল এবং গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক। সিএনজি ১০০ শতাংশ সরবরাহ হচ্ছে। এলএনজির সরবরাহেও কোনও সমস্যা নেই।” তিনি দাবি করেছিলেন, যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে যখন জ্বালানি সংকট, সেই আঁচ ভারতে পড়েনি। কিন্তু শনিবার দেশজুড়ে গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার করে নিল মোদি সরকার।

উল্লেখ্য, বাংলা-সহ গোটা দেশেই রান্নার গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস বুকিং করতে গিয়ে রীতিমতো হয়রানির মধ্যে পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে। দেশের নানা প্রান্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হোটেল-রেস্তরাঁ। সংকটের মধ্যে আমজনতাও যেন অতিরিক্ত গ্যাস বুকিং এবং মজুত করে না রাখেন, তার জন্য বুকিং-এর ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের খরচ বাঁচাতে হু হু করে বাড়ছে ইনডাকশন-সহ বৈদ্যুতিন রান্নার যন্ত্রের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.