Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

শিখ দাঙ্গায় নরসিমা রাওকে দোষারোপ মনমোহনের, ক্ষমা চাইতে বললেন নাতি

বিজেপি নেতারাও একহাত নিয়েছেন মনমোহন সিংকে

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৯, ১২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০১৯, ১২:৩৫

options
link
শিখ দাঙ্গায় নরসিমা রাওকে দোষারোপ মনমোহনের, ক্ষমা চাইতে বললেন নাতি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০ সালের শুরুতেই দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন৷ ভাগ্যপরীক্ষায় জন্য শাসকদল ‘আম আদমি পার্টি’-সহ প্রস্তুত কংগ্রেস ও বিজেপিও৷ এহেন পরিস্থিতিতে শিখ দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং৷ রাজীব গান্ধী ও কংগ্রেসের ‘শাপমুক্তি’র পথ খুঁজতে গিয়ে বিজেপির হাতে অজান্তেই নয়া অস্ত্র তুলে দিয়েছেন মনমোহন৷

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের জন্মশতবর্ষ অনুষ্ঠান শিখ দাঙ্গার দায় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের উপর চপিয়েছিলেন মনমোহন সিং৷ আর এতেই হয়েছে বিপত্তি৷ মওকা বুঝে কংগ্রেসকে একহাত নিতে নরসিমা রাওয়ের নাতি এন ভি সুভাষকে আসরে নামিয়েছে গেরুয়া শিবির৷ মনমোহনকে একহাত নিয়ে সুভাষ বলেন, ‘মনমোহন সিংয়ের এহেন মন্তব্যে আমি অত্যন্ত ব্যথিত৷ এহেন অভিযোগ কখনওই মেনে নেওয়া যায় না৷ এর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে মনমোহনকে। নরসিমা রাওয়ের বদলে তিনি রাজীব গান্ধীকে দায়ী করুন। চাইলে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে রাজীব সেনা নামাতে পারতেন। একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি এতবড় সিদ্ধান্ত এক নিতে পারেন? মনমোহন সিংয়ের এত আপত্তি থাকলে তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়েছিলেন কেন? ‘ শুধু তাই নয় সুভাষ আরও দাবি করেন, ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে স্বাধীনভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে বরং করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর৷ ফলে গোটা পরিস্থিতি রাজীবকে জানিয়ে যাওয়া ছাড়া নরসিমা রাওয়ের আর কিছুই করার ছিল না৷

Advertisement

বিজেপি নেতারাও একহাত নিয়েছেন মনমোহন সিংকে৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর প্রশ্ন তুলছেন, ইন্দিরা র হত্যার পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন রাজীব, তাহলে রাওয়ের দশ কোথায়? কেন দিল্লিতে সেনা নামানবি রাজীব? এদিকে, সংসদ চত্বরে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ খোলেননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী৷ গত বুধবার মনমোহন সিং বলেছিলেন, ‘ যদি গুজরালজির কথা শুনতেন নরসিমা রাও, তাহলে হয়তো ১৯৮৪-র গণহত্যা এড়ানো যেত৷ গুজরালজি এতটাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন যে, ওই দিন বিকেলেই নরসিমা রাওয়ের কাছে ছুটে যান তিনি৷ ওই মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা নামানোর কথা বলেছিলেন তিনি৷ কিন্তু সেই উপদেশে কান দেন নি নরসিমা রাও৷’ উল্লেখ্য, ওই সময় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন রাও৷ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন আই কে গুজরাল৷

এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মনমোহন সিংয়ের মন্তব্য দিল্লির নির্বাচনকে মাথায় রেখে করা৷ নরসিমা রাওয়ের উপর দায় চাপিয়ে কার্যত কংগ্রেস পার্টি ও রাজীব গান্ধীকে ক্লিনচিট দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি৷ দিল্লিতে শিখ ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর| ফলে eই সময়ে মনমোহনের বক্তব্যে বিতর্ক যে হবে তা বলাই বাহুল্য৷

[আরও পড়ুন: ঘরে ফেরার পুরস্কার! বিদর্ভ সেচ দুর্নীতির মামলায় ক্লিনচিট পেলেন অজিত পওয়ার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.