সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি অর্থাৎ সেনার গোলাবারুদের কারখানায় আচমচাই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। যে ঘটনায় প্রাণ হারান এক কর্মী। বিস্ফোরণের নেপথ্য কারণ খুঁজতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের ভান্ডারায় শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ আচমচাই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ওই কারখানা। আর সেই বিস্ফোরণের আগুনেই ঝলসে মৃত্যু হয় বছর বাহান্নর অবিনাশ মেশ্রামের। জানা গিয়েছে, তিনি দিনের প্রথম শিফ্টে কাজ করার সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। ফলে আত্মরক্ষার কোনও পথ পাননি তিনি। সেই সময় ওই বিভাগে তিনি একা থাকায় আর কোনও প্রাণহানি হয়নি বলেই খবর। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘ভুল থেকে শিক্ষা…’, মাঝরাতে অভিষেকের পোস্ট! ঐশ্বর্যের সঙ্গে বিয়েটাই কি ভুল জুনিয়ার বচ্চনের?]
তবে কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল ৮.১৫ নাগাদ ভান্ডারার HEX বিভাগ থেকে ভয়ংকর বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। সেই বিকট আওয়াজ শুনে অন্য বিভাগের কর্মীরা ছুটে যান। সেখানেই অবিনাশকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। কারখানারই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর কারণ জানতে তিন সদস্যের একটি তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।
ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য সরকারি বাহিনীর জন্য গোলাবারুদ তৈরি হয় এই কারখানায়। ভান্ডারার এসপি লোহিত মাতানি জানান, বোমায় ব্যবহার হওয়ার তার তৈরির কাজ করছিলেন অবিনাশ, সেই সময়ই বিস্ফোরণটি ঘটে। ওই কর্মীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য এবং পেনশন পাইয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তবে ভারতের অর্ডন্যান্স কারখানায় এমন বিস্ফোরণের ঘটনা কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
[আরও পড়ুন: কুয়াদ্রাতের যুদ্ধ জয়ের অপেক্ষায় ভাই জোয়ান, স্পেনে বসেই বুনছেন স্বপ্নের লাল-হলুদ জাল]
সর্বশেষ খবর
-
৯ বছর সামলেছেন টাটার সাম্রাজ্য, এবার মোদি মন্ত্রিসভায় সেই ক্ষুরধার মস্তিষ্ক?
-
DRDO-র মিসাইল প্রযুক্তি পাবে দেশীয় সংস্থাগুলি, অস্ত্র নির্মাণে আত্মনির্ভর হতে বড় পদক্ষেপ রাজনাথের
-
‘এখন ভালো আছি’, হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন বুদ্ধজায়া মীরা ভট্টাচার্য
-
‘সংস্কৃতি মনে থাকে, ক্লিভেজে নয়!’, রাখিবন্ধনের পোশাক বিতর্কে কঙ্গনাকে চাঁচাছোলা জবাব কৃতী শ্যাননের
-
উৎসবের মরশুমের আগে চিনির স্বাদ তেতো! আকাশছোঁয়া দামের নেপথ্যে আসল কারণ কী?