Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বন্যা

বন্যায় বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্রে মৃত ১৬ জন, ঘরছাড়া লক্ষাধিক

রাজ্যের একাধিক জায়গায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ০৯:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ০৯:২৫

options
link
বন্যায় বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্রে মৃত ১৬ জন, ঘরছাড়া লক্ষাধিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটানা বৃষ্টিতে দেশের বাণিজ্যনগরী-সহ ভাসছে প্রায় গোটা মহারাষ্ট্র। প্রবল বৃষ্টির ফলে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক জায়গা থেকে আসতে শুরু করেছে মৃত্যুসংবাদ। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে পুণেতে ৪ জন, সাতারায় ৯ জন, কোলাপুরে ২ জন ও সাংগিলে ২ জনের মৃত্যুর হয়েছে বলে খবর। প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া। সোলাপুর, সাংগিল, কোলাপুর ও পুণে থেকে তাঁদের স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে ডিভিশনাল কমিশনার দীপক মহাশেখর জানিয়েছেন।

[ আরও পড়ুন: ৩৭০ ধারা বাতিলে ‘মওকা’ অবিবাহিতদের! ‘গুগল সার্চ’-এ উপরের সারিতে কাশ্মীরি মেয়েরা ]

বৃষ্টির জন্য কোলাপুর জেলায় সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পুণে জেলার তিনটি তহসিল ও সাংগিল জেলার চারটি তহসিলে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণেরও সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। সাংগিল জেলায় এবছর রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় ২১৩ শতাংশ। সাতারা ও পুণেতে বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১৭৩ শতাংশ। এছাড়া কোলাপুরে ১১৬ শতাংশ ও সোলাপুরে ৭৮ শতাংশ বৃষ্টিপাত হয়েছে।

Advertisement

আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী তিনদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা তো রয়েইছে, বরং বৃষ্টিপাত আরও বাড়তে পারে। ফলে বন্য পরিস্থিতি উন্নতির কোনও সম্ভাবনা এই মূহূর্তে নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। এছাড়া প্রবল বৃষ্টির ফলে বাঁধও পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে জল ছাড়া ব্যতীত কোনও উপায় নেই। দীপক মহাশেখর জানিয়েছেন, পুণের বহু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। প্রায় ২ লক্ষ ৫৭ হাজার লোকের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। 

[ আরও পড়ুন: রাজধানী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, সাসপেন্ড অভিযুক্ত টিকিট পরীক্ষক ]

যদিও সমস্ত রকম পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলার জন্য তৈরি প্রশাসন। উদ্ধারকাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের থেকে প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সেনা, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনীও নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিম নৌ কম্যান্ডান্টের তরফে ১৪টি দল পাঠানো হয়েছে। পুণে ও মুম্বই থেকে উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যেই কোলাপুরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি দল পাঠানো হচ্ছে বলে খবর। এক হাজার সেনা অফিসারকে উদ্ধারকাজের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। কর্ণাটকের বেলহাম, বাগালকোট ও রায়চূড় জেলায় এবং মহারাষ্ট্রের রায়গড়, কোলাপুর ও সাংগিল জেলায় পাঠানো হয়েছে ত্রাণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.