সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় মসজিদের এক ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠল উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে। এমনকী ওই ইমামকে অজ্ঞান করে তাঁর দাড়ি কেটে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত নেমেছে পুলিশ। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। ঘটনায় সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের আনওয়া গ্রামের এক মসজিদের। সেই সময় ধর্মস্থানে নিজের ঘরে বসে কোরান পাঠ করছিলেন ইমাম জাকির সইদ খাজা। তিনি জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ একদল দুষ্কৃতী মসজিদে ঢুকে পড়ে। তাঁদের মুখে কাপড় বাঁধা ছিল। তাঁরা ইমামকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে বলে। ইমাম তা অস্বীকার করায় তিন ব্যক্তি জাকির সইদ খাজাকে জোর করে মসজিদের বাইরে নিয়ে যায় এবং মারধর করে।
[আরও পড়ুন: ব্যাঘ্র উন্নয়নের ১.১ কোটি টাকা খরচ রামনাথ কোবিন্দের সফরে! প্রশ্নের মুখে কাজিরাঙা]
ইমাম দাবি করেন, এরপর রাসায়নিক মাখানো কাপড় ব্যবহার করে তাঁকে অজ্ঞান করে ফেলে দুষ্কৃতীরা। জ্ঞান ফেরার পর তিনি বুঝতে পারেন তাঁর দাড়ি কেটে ফেলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাত ৮টা নাগাদ নমাজের জন্য মসজিদে আসেন বেশ কিছু লোক। তাঁরা দেখেন আক্রান্ত ইমাম অজ্ঞান অবস্থায় মসজিদের বাইরে পড়ে আছেন। তাঁরাই ইমামকে উদ্ধার করে সিলোদের সরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন। পরে তাঁকে ঔরঙ্গাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইমাম জাকির সইদ খাজা।
मैं उप.मुख्यमंत्री श्री देवेंद्र फडणवीस जी (@Dev_Fadnavis) से मांग करता हूँ की जालना के भोकरदन अनवा गांव मस्जिद में घुसकर एक मौलाना की दाढ़ी निकालकर मारपीट करने वाले व साम्प्रदायिक तनाव फ़ैलाने वाले उपद्रवियों के खिलाफ सख्त कार्रवाई की जाए।
CC:@DGPMaharashtra@sp_jalna #Jalna pic.twitter.com/KKXybIxq8v
— Abu Asim Azmi (@abuasimazmi) March 27, 2023
[আরও পড়ুন: গণতন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ, রাহুল গান্ধীর প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর অধ্যাপককে ই-মেল অমর্ত্য সেনের]
এদিকে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে তারা। ঘটনায় সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলিও। সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবু অসিম আজমি টুইট করে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের (Devendra Fadnavis) কাছে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।