Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Maharashtra

৯ বার বিয়ে, টাকা-সোনা নিয়ে উধাও, মহারাষ্ট্রে পর্দাফাঁস ‘লুটেরা দুলহন’ চক্রের

এই সক্রিয় চক্র ভুয়ো বিয়ে পরিচালনা করে পুরুষদের কাছ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র, টাকা পয়সা লুট করে চম্পট দেয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২২:০২

options
link
৯ বার বিয়ে, টাকা-সোনা নিয়ে উধাও, মহারাষ্ট্রে পর্দাফাঁস ‘লুটেরা দুলহন’ চক্রের zoom
অবিবাহিত পুরুষদের টার্গেট করত এই চক্র।

অবিবাহিতদের টার্গেট করে প্রতারণা। একের পর এক পুরুষকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে টাকা ও গয়না নিয়ে চম্পট দিতেন ‘কনে’। মহারাষ্ট্রের বীড জেলার এই ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। পুলিশের অনুমান, এই ঘটনার পিছনে একটি সক্রিয় চক্র কাজ করছে। এই চক্র ভুয়ো বিয়ে পরিচালনা করে পুরুষদের কাছ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র, টাকা পয়সা লুট করে চম্পট দেয়।

অভিযুক্ত কনে ইতিমধ্যেই ৯ জন পুরুষকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে টাকাপয়সা, গয়না লুট করেছে। শেষ ঘটনাটি ঘটে জেলার একটি গ্রামের যোগেশ শিন্দের সঙ্গে। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন এজেন্টের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে ওই মহিলার পরিচয় হয়েছিল। মহিলার সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই এজেন্টরা তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়। বিয়েও হয়, কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই নববধূ ও এজেন্টরা হঠাৎ উধাও হয়ে যান। পরে খোঁজখবর নিয়ে যোগেশ জানতে পারেন, ওই মহিলা এর আগেও একইভাবে অন্তত আরও আটজনকে বিয়ে করেছেন। এরপর তাঁদের কাছ থেকেও ওই একভাবে টাকা ও গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছেন। এই সব ঘটনার কথা যোগেশ বিয়ের আগে কিছুই জানতেন না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। এই ঘটনায় চাকলাম্বা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বীডের পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা করা হয়েছে। এই ঘটনার পর আত্মহত্যার চিন্তাভাবনাও শুরু করেছিলাম। আমি ন্যায়বিচার চাই।”

জানা গিয়েছে, এই চক্রটি বীড জেলার গ্রামীণ এলাকার অবিবাহিত পুরুষদের টার্গেট করত। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এজেন্টদের মাধ্যমে অবিবাহিত পুরুষদের প্রথমে খুঁজে বের করতেন অভিযুক্তরা। তারপর বিয়ের নাম করে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হত। বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই কনে নগদ টাকা, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে যেতেন। এভাবেই চলত চক্র। চক্রের সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। আরও কেউ একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.