Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৭২ ঘণ্টা আগেই পৌঁছায় সতর্কবার্তা, পুলিশি গাফিলতির ফল তিনসুকিয়া গণহত্যা!

গাফিলতির দায় কার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৮, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৮, ১৯:৩৪

options
link
৭২ ঘণ্টা আগেই পৌঁছায় সতর্কবার্তা, পুলিশি গাফিলতির ফল তিনসুকিয়া গণহত্যা! zoom
Advertisement

মণিশঙ্কর চৌধুরি: প্রায় চারদিন পার হয়ে গেলেও মেলেনি কোনও ক্লু| আজও অধরা তিনসুকিয়া গণহত্যার চক্রীরা| তদন্তের ভার এনআইএ-র হাতে| এদিকে তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য| আগেই নাকি হামলার সতর্কতা পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশের হাতে| তবে রুটিন বার্তা মনে করেই তা উপেক্ষা করা হয়, যার মাশুল দিতে হয় পাঁচ নিরীহ বাঙালি যুবককে|

[অসমে আগুন জ্বলবে, এবার হুঁশিয়ারি উলফা নেতা অনুপের]

জানা গিয়েছে, ফের অসমকে অশান্ত করার চেষ্টা হতে পারে| রাজ্যের বাঙালি সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালাতে পারে উগ্রপন্থীরা| তিনসুকিয়া গণহত্যার ৭২ ঘণ্টা আগেই এমন সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন গোয়েন্দারা| সূত্রের খবর, অসমের ডিজি (স্পেশ্যাল) পল্লব ভট্টাচার্যের দপ্তরে পৌঁছেছিল গোপন ফাইলও| তারপরই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল তিনসুকিয়া ও ধোলা থানায়| তবে চূড়ান্ত গাফিলতির পরিচয় দেয় সংশ্লিষ্ট থানাগুলি| রুটিন হুঁশিয়ারি ভেবেই নেওয়া হয়নি কোনও ব্যবস্থা| স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যেই ধোলা থানা| অদ্ভুতভাবে, ঘটনার দিন থানায় মজুত ছিল না পর্যাপ্ত ফোর্স| এমনকী, খবর দেওয়ার পরও দেরিতে এসে পৌঁছায় বাহিনী| সব মিলিয়ে পুলিশের দিকেই আঙুল তুলছেন স্থানীয়রা| এবিষয়ে বারবার ফোন করা হলেও উত্তর মেলেনি ডিজি পল্লব ভট্টাচার্যের তরফে| এদিকে অসমের বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেবের দাবি, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে জেহাদিরা| উগ্রপন্থী সংগঠন উলফাকে আর্থিক মদত দেয় পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই| ট্রেনিং চলে বাংলাদেশে| তাই স্থানীয় হিন্দু বাঙালিদের নিশানা করছে জঙ্গিগোষ্ঠীটি| পুলিশের মধ্যেও চর থাকতে পারে| সেটা তদন্ত করে দেখা উচিত| এদিকে বাঙালি হত্যার দায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে অস্বীকার করলেও এর পিছনে উলফার হাত রয়েছে বলেই দাবি করেছেন অসম পুলিশের ডিজি কুলধর শইকিয়া।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রায় চারদিন পার হয়ে গেলেও, গণহত্যার ঘটনায় আজও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ| আপাতত সমস্ত ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)| সোমবার হামলার একমাত্র সাক্ষী সহদেব নমঃশূদ্রের বয়ান নেন তদন্তকারীরা| ঘটনার হাড়হিম করা বিবরণ তুলে ধরেন তিনি| তদন্তকারীদের সহদেব জানান, স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন তাঁরা| এমন সময় সেখানে সেনার পোশাকে উপস্থিত হয় কয়েকজন| তাঁদের ছ’জনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়| কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল ফোনও| তারপরই খেরবাড়ির চরে নিয়ে তাঁদের হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করে জঙ্গিরা| একের পর এক হত্যা করা হয় তাঁর সঙ্গীদের| কপালগুণে তাঁর গা ঘেঁষে বেরিয়ে যায় গুলি| ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যান তিনি| তাঁকে মৃত ভেবে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা| এদিকে ঘটনার পর নিরাপত্তা কড়া করা হয়েছে তিনসুকিয়ায়|

[দান্তেওয়াড়ার প্রতিশোধ, মালকানগিরিতে ৫ মাওবাদীকে গুলি করে মারল সেনা]

উল্লেখ্য, ধৃত উলফা নেতা জিতেন দত্ত, মৃণাল হাজারিকার মুক্তির দাবিতে ডিব্রুগড় সদর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভকারীরা৷ পাশাপাশি বাঙালি যুব ছাত্র ফেডারেশনের নেতা সুজিত সরকারের বিরুদ্ধে তিনসুকিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে আলোচনাপন্থী উলফা নেতা প্রবাল নেওগ৷ পাশাপাশি দাবি জানানো হয়, বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেবকে গ্রেপ্তার করতে হবে| সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে অসমের পরিস্থিতি থমথমে|

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.