Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

বিচারব্যবস্থার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চাই, কলেজিয়াম বিতর্কে কেন্দ্রকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর

বিচারপতি নিয়োগে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় সরব হয়েছে কংগ্রেসও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৩, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৩, ২১:০০

options
link
বিচারব্যবস্থার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চাই, কলেজিয়াম বিতর্কে কেন্দ্রকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্র সরকার ও সুপ্রিম কোর্টের দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, কেন্দ্র যখন নতুন করে এই ধরনের পরিকল্পনা করছে, তখন নিশ্চয়ই তাদের কোনও উদ্দেশ্য আছে। মমতার সাফ কথা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার সঙ্গে কোনওরকম আপস করা উচিত নয়।

মঙ্গলবার হাসিমারায় যাওয়ার পথে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “আমরা বিচারব্যবস্থার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা চাই। কলেজিয়ামে কেন্দ্রের প্রতিনিধি থাকলে রাজ্য সরকারেরও প্রতিনিধি থাকা উচিত। এখন বিচারব্যবস্থায় রাজ্য সরকারের কোনও প্রতিনিধি থাকে না। হাই কোর্টে বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে কলেজিয়াম কোনও সুপারিশ পাঠালে সেটা কেন্দ্র বাতিল করে দিতে পারে। কেন্দ্রের প্রতি সমর্থন না থাকলেই বিচারপতিদের নাম বাদ যাচ্ছে। এটা হলে কেন্দ্র সরাসরি বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পাবে।” মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, “আমরা জাস্টিস ফর ফ্রিডম চাই। হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গণতন্ত্র বিপন্ন। এখন সব জায়গায় কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির পরে রাহুল, ভারত জোড়ো যাত্রায় কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ঢুকল যুবক]

উল্লেখ্য, বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্র সরকার ও সুপ্রিম কোর্টের দ্বন্দ্বে নতুন করে ধুনো দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে (DY Chandrachud) চিঠি লিখে তিনি দাবি করেছেন, বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়ায় সরকারি প্রতিনিধিদেরও শামিল করতে হবে। বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অধিকার দিতে হবে সরকারের প্রতিনিধিদের। কীভাবে এই বিষয়টিকে কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে একাধিক পরামর্শও দিয়েছেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তাঁর যুক্তি, জনতার কাছে স্বচ্ছ থাকার কারণেই বিচারপতি নিয়োগের সময় জনপ্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া উচিত। দীর্ঘদিন ধরেই বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে মতবিরোধ হচ্ছে কেন্দ্র ও সুপ্রিম কোর্টের। এহেন পরিস্থিতিতে রিজিজুর চিঠি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

[আরও পড়ুন: সফরে আকাশছোঁয়া খরচ! মোদির সাধের গঙ্গাবিলাসকে ‘অশোভনীয়’ বলে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার]

কংগ্রেস আগেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে বিচারব্যবস্থার জন্য বিষের সমান বলে অভিযোগ করেছে। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র সরকার বিচারব্যবস্থায় পুরোপুরি কব্জা করতে চাইছে। তিনি বলছেন, কখনও উপরাষ্ট্রপতি বিচারব্যবস্থার উপর আক্রমণ করেন, কখনও আইনমন্ত্রী আক্রমণ করেন। এসবই পরিকল্পিতভাবে বিচারব্যবস্থা পুরোপুরি কব্জা করার চেষ্টা। স্বাধীন বিচারব্যবস্থার জন্য এটা বিষের ট্যাবলেটের মতো। এবার তৃণমূলও চড়া সুরে কেন্দ্রের পদক্ষেপের বিরোধিতা করল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.