Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

কমবয়সি পাত্রীকে বিয়ে নিয়ে খোঁচা, বন্ধুর দেহ কুচিকুচি করে কেটে কমোডে ফ্লাশ

পাইপে দেহাংশ আটকে ধরা পড়ল খুনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০১৯, ২১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০১৯, ২১:৩২

options
link
কমবয়সি পাত্রীকে বিয়ে নিয়ে খোঁচা, বন্ধুর দেহ কুচিকুচি করে কেটে কমোডে ফ্লাশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশি বয়সে কমবয়সি পাত্রীকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তের জন্য বন্ধুর খোঁটা সহ্য হয়নি। তাই বন্ধুর মাথা দেওয়ালে সজোরে ঠুকে দিয়েছিল ৫৮ বছরের গণেশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বন্ধু পিন্টু শর্মার (৪০)। কিন্তু এতেও রাগ কমেনি। চারদিন ধরে চপার দিয়ে পিন্টুর দেহ কুচি কুচি করে ২০০ টুকরো করে গণেশ। তারপর প্রমাণ লোপাট করতে দেহের ছোট টুকরোগুলি বাথরুমের কমোডের জলে ফেলে চালু করে দেয় ফ্লাশ। আর শরীরের হাড় আলাদা করে ছুঁড়ে ফেলে ট্রেন থেকে। এতকিছু করেও শেষরক্ষা হয়নি। পাইপে দেহাংশ আটকে ধরা পড়ল বন্ধু। ঘটনাটি মুম্বইয়ের ভিরারের।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের জন্য ওই বন্ধুর থেকেই এক লাখ টাকা ধার নিয়েছিল গণেশ। ৪০ হাজার টাকা শোধও করে সে। এরপরই একদিন বাড়িতে আসে পিন্টু। তার বাড়ি এসে বিদ্রুপ করে গণেশকে বলে, পাত্রী তরুণী হওয়ায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে পারে। তারপরই দেওয়ালে বন্ধুর মাথা সজোরে ঠুকে দেয়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় পিন্টুর। খবর জানাজানির ভয়ে চারদিন ধরে বন্ধুর মৃতদেহ চপার দিয়ে টুকরো টুকরো করে। গণেশ ভেবেছিল, কমোডে ফ্লাশ টেনে পুরো দেহ ভাসিয়ে দেবে। কিন্তু ফ্লাশের জলের তোড়ে পাইপ দিয়ে নামতে পারেনি দেহাংশ। বহুতলের নিকাশি পাইপে দেহের টুকরোগুলি আটকে যাওয়ায় হইচই পড়ে যায়। কেন পাইপ আটকে গিয়েছে তা দেখতে ডাকা হয় সাফাইকর্মীকে। তিনি পাইপ খুলতেই টুকরোগুলি প্রকাশ্যে আসে।

Advertisement

[‘জিনস প্যান্ট পরেছ কেন?’ সঞ্চালিকার পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে মৌসুমি]

পুলিশি জেরায় খুনের কথা স্বীকার করে গণেশ। ঘটনাটি মুম্বইয়ের ভিরারের। ধৃত জানিয়েছে, সম্প্রতি তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল।এতেই প্রবল রেগে যায় গণেশ। দুই বন্ধুর বচসা বাঁধে। আচমকা সজোরে পিণ্টুর মাথা ঠুকে দেয় গণেশ। পুলিশ বলেছে, “বন্ধুর থেকে এক লাখ টাকা ধার নিয়েছিল। তারপর ৪০ হাজার টাকা ফেরৎ দেয় ওই ব্যক্তি। খুনের পর অভিযোগ লোপাট করার জন্য কোমোডে ফ্লাশ টানে। চারদিন ধরে বন্ধুর দেহ কুচিকুচি করে কেটে কমোডে ভাসাতে থাকে। শরীরের হাড় আলাদা করে বস্তাবন্দি করে ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.