সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মের নামে যেখানে দেশ জুড়ে পশুহত্যা রোখার চেষ্টা চলছে, সেখানে এই ভূমিতেই এখনও ঈশ্বরকে প্রসন্ন করতে নরবলি দিতেও হাত কাঁপছে না কিছু মানুষের। ভগবানকে প্রসন্ন করতে এবার বলি দেওয়া হল সাত মাসের এক শিশুকে। এমনই শিউরে ওঠার মতো ঘটনা ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের সেরাইকেলা-খার্সওয়ান জেলায়। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে তিরুলদি থানার পুলিশ।
[সম্প্রীতির নজির, ৪০০ জন মুসলিমকে দাওয়াত-এ-ইফতার দিল এই মন্দির]
ভাদোই কালিন্দি নামের এক সাপুড়ের বিয়ে হয়েছে আট বছর আগে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই দম্পতি সন্তান লাভ করেনি। তাহলে উপায়? কুসংস্কারাচ্ছন্ন ভাদোই শরণাপন্ন হয় জেলার নাম করা তান্ত্রিক কার্মু কালিন্দির। ভাদোইকে সন্তান লাভের পন্থা বাতলে দেয় সে। তান্ত্রিক জানায়, বাবা হতে হলে ঈশ্বরকে খুশি করা জরুরি। আর ঈশ্বর কীভাবে খুশি হবেন? শিশু বলি দিলে। তান্ত্রিকের কথা মতো সব ব্যবস্থা করে ভাদোই। গত মাসের ২৬ তারিখ রাতে কার্মুর প্রতিবেশী সুভাষ গোপের সাত মাসের শিশুকে অপহরণ করে ওই সাপুড়ে। তারপর তাকে আনা হয় তিরুলদির শ্মশান ঘাটে। ঘুমন্ত অবস্থাতেই দুধের শিশুকে ঈশ্বরের নামে বলি দেওয়া হয়। নৃশংস এমন কাজ করতে এতটুকু হাত কাঁপেনি তাদের। কুসংস্কারের বশে নিজের কোল ভরতে অন্যের কোল খালি করে দেওয়ার আগে একবারও ভাবেনি ভাদোই।
[প্রায়ই পা অবশ হয়ে যাচ্ছে? অবহেলা না করে এখনই ডাক্তার দেখান]
ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল ভাদোই। এদিকে পুলিশের কাছে সন্তান নিরুদ্দেশ হওয়ার অভিযোগ জানায় তার পরিবার। ভাদোই পলাতক হওয়ার ঘটনায় সন্দেহ দানা বাঁধে। অবশেষে বুধবার চাইদা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ভাদোই ও তান্ত্রিককে। এসডিপিও সন্দীপ ভগত জানান, বৃহস্পতিবার জেরায় শিশু বলির কথা স্বীকার করেছে তারা। যে অস্ত্র দিয়ে বলি দেওয়া হয়েছিল, সেই অস্ত্রও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করার চেষ্টাও করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
বন্ধু বেলিংহ্যামের গোলেই ভাঙল হালান্ডের স্বপ্ন সফর, নরওয়ের রণতরী ডুবিয়ে সেমিতে ইংল্যান্ড
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের