Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Manipur Violence

মণিপুরের হিংসার প্রতিবাদ, মোদির হস্তক্ষেপ চেয়ে দিল্লিতে অনশন রুপান্তরকামী সংগঠনের কর্মীর

মণিপুরে এখনও থামেনি জাতি সংঘর্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪, ১৮:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪, ১৮:১০

options
link
মণিপুরের হিংসার প্রতিবাদ, মোদির হস্তক্ষেপ চেয়ে দিল্লিতে অনশন রুপান্তরকামী সংগঠনের কর্মীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মণিপুরে এখনও থামেনি জাতি সংঘর্ষ। এক বছর হতে চললেও কুকি-মেতেই সংঘাতের আগুন এখনও ধিকিধিকি জ্বলছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যটিতে। ঝরছে রক্ত। যা নিয়ে এবার প্রতিবাদে সরব হলেন মণিপুরের রুপান্তরকামীরা। শান্তির ফেরানোর দাবি নিয়ে দিল্লিতে অনশনে বসলেন লামাম্বা ইরাবোট মেমোরিয়াল ইন্টিগ্রেটেড ট্রাস্টের প্রধান মালেম থংগাম। তিনি রুপান্তরকামীদের হয়ে কাজও করেন।  

জানা গিয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর রাস্তায় অনশন শুরু করেছিলেন থংগাম। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এর পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হলে মণিপুরের সাংসদ রাজকুমার রঞ্জন সিংয়ের বাড়ি সামনে অনশনে বসেন থংগাম। সেখান থেকেও তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশের তরফে থংগামকে বলা হয়, তিনি যেন মধ্যদিল্লির বাংলা সাহিব গুরুদ্বারায় থাকেন। সেই মতো এই গুরুদ্বারাতেই ফের অনশনে বসেন মনিপুরের থংগাম। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে জোড়া দুর্ঘটনা, পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে মৃত ৪ স্কুল পড়ুয়া-সহ ১০]

এনিয়ে সোমবার থংগামের সংগঠনের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ জানাচ্ছি, তিনি যেন মণিপুরে এসে হিংসা থামান। আমাদের রাজ্যে শান্তি ও স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনেন। এবার কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উচিত কুকি-জো বিদ্রোহীদের সঙ্গে অপারেশন সাসপেনশন (SoO) চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা।’ এদিকে সোমবারই অনশনের কারণে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় থংগামের। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলে নিজের অবস্থানে ফিরে যান থংগাম।

উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে মণিপুর হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, মেতেইদের তফসিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত করা যায় কি না সেনিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজ্য সরকারকে। আদালতের এই রায়ের পরেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা মণিপুর। মেতেইদের পক্ষে আদালতের রায়ের বিরোধিতায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে কুকিরা। দুপক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ হারান দুশোর বেশি মানুষ। কয়েকদিন আগেই সেই নির্দেশ পালটে দিয়েছে মণিপুর হাই কোর্ট। শেষ পর্যন্ত নিজেদের রায়ই বাতিল আদালত জানিয়েছে, তফসিলি উপজাতি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি কেন্দ্র সরকারের এক্তিয়ারভুক্ত। আদালত সেই কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

[আরও পড়ুন: কানাডা হোক বা আমেরিকা, ভারতীয় কূটনীতিকদের উপর হামলা বরদাস্ত নয়, হুঁশিয়ারি জয়শংকরের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.